নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার প্রজাতন্ত্র দিবসে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের ট্রাক্টর ব়্যালি ঘিরে রণক্ষেত্রের রূপ নেয় দিল্লি৷ এই ঘটনায় ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (বিকেইউ) নেতা রাকেশ টিকাইতের বিরুদ্ধে পূর্ব দিল্লির একটি থানায় এফআইআর দায়ের করা হল৷ এক পুলিশ অফিসারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷

জানা গিয়েছে গতকালের ঘটনায় ২২ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন টিকাইত৷ ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী কৃষকরা ২৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগিয়ে যায় এবং ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে৷

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পুলিশের কাছ থেকে কাঁদানে গ্যাস, কমপক্ষে ২০টি মিরচি বোমা চুরি করে আন্দোলনরত কৃষকরা৷ এমনকী ২৬ জানুয়ারি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কৃষকরা ট্রাক্টর ব়্যালি শুরু করেছিলেন বলেও এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে৷ এদিনের ঘটনায় কতজন পুলিশ আহত হয়েছেন, তাও উল্লেখ করা হয়েছে৷

প্রসঙ্গত, ২৪টি শর্ত সাপেক্ষে কৃষকদের ট্রাক্টর ব়্যালির জন্য এনওসি দিয়েছিল পুলিশ৷ কিন্তু তা লঙ্ঘন করা হয়৷ এনওসি লঙ্ঘনের অভিযোগেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷ লাল কেল্লার সামনে বিদ্রোহী কৃষকদের কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানোর ভিডিয়ো ব্যাপক ভাবে শেয়ার হয়েছে৷ ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা ট্রাক্টরে দাঁড়িয়ে পুলিশের বন্দুক চালাচ্ছে৷

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, কৃষকদের ট্র্যাক্টর ব়্যালির সময় দফায় দফায় সংঘর্ষে ৩০০ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন৷ ২০০ জনকে আটক করা হয়েছে৷ বিজেন্দ্র সিং ভিরক, ভিএম সিং (ন্যাশনাল অর্গানাইজার অফ অখিল ভারতীয় কিষাণ সংঘর্ষ সমন্বয়), জাগতার সিং বাজোয়া, উধাম সিং নগর, ঋষিপাল সিং, হরদ্বীপ সিং, বিনোদ কুমারের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷

গতকাল প্রতিবাদী কৃষকরা লালকেল্লায় ঢুকে কৃষক আন্দোলনের পতাকা ওড়ায়৷ মিছিল রুখতে চলে পুলিশের চাঠিচার্জ৷ ছোঁড়া হয় জল কামান, কাঁদানে গ্যাস৷ আবার পুলিশকে পাল্টা অস্ত্র প্রদর্শন করল কয়েকজন কৃষক৷ সব মিলিয়ে রণক্ষেত্রের রূপ নেয় রাজধানী দিল্লি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।