গান্ধীনগর: ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে বিপাকে বিধায়ক জিগ্নেশ মেভানি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর।

ঘটনার সূত্রপাত, একটি ভিডিও ঘিরে। যেটি তিনি নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিদিও-তে দেখা গিয়েছিল যে কয়েকজন অর্ধ নগ্ন স্কুল পড়ুয়াকে একজন শিক্ষক খুব পেটাচ্ছে।

সেই ভিডিও পোস্ট করে জিগ্নেশ সকলের কাছে আবেদন করেন যে ওই ভিডিও যে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। নির্দল বিধায়ক জিগ্নেশের দাবি ছিল ওই ভিডিও-টি গুজরাতের বালসাদে অবস্থিত আরএমভিএম স্কুলের। স্কুলটি যাতে বন্ধ করে দেওয়া হয় সেই আর্জিও সাধারণের কাছে করেছিলেন গুজরাতের এই নির্দল বিধায়ক। এই ধরণের ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে জবাবদিহি চেয়ে তাঁকে ট্যাগ করে দেন জিগ্নেশ।

কিন্তু যে স্কুলের বিরুদ্ধে বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন তাদের বক্তব্য ভিন্ন। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকে ভিজাল কুমারী প্যাটেল জানিয়েছেন যে বিধায়ক ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে স্কুলের বদনাম করেছেন। শুধু স্কুল নয়, স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকেও অপমান করেছেন বাদ্গাম কেন্দ্রের বিধায়ক জিগ্নেশ। এই অভিযোগ তুলে বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মাসের ২০ তারিখে ওই ভিডিও ট্যুইট করেছিলেন জিগ্নেশ মেভানি। ভিডিও-টি আসলে সিরিয়ার একটি স্কুলের। সেটিই গুজরাতের বলে দাবি করেছিলেন বিধায়ক। পরে ভুল বুঝতে পেরে ভিডিও-টি তিনি মুছে দিয়েছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক জায়গায় ছড়িয়ে গিয়েছে সেই ভিডিও। বিধায়কের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৫-এর দুই এবং ৫০০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রথমটি হিংসার উদ্দেশ্যে গুজব ছড়ানো এবং অপরটিতে মানহানি সংক্রান্ত।