ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সপ্তম দফায় যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ভোট গ্রহন৷ কিন্ত এই কেন্দ্রের বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য৷ বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তিনি এবার বিপাকে৷ তাঁর নামে এফআইআর হয়েছে ভাঙড় থানায়৷ এর আগেও একাধিকবার প্রচারে বেরিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সংবাদ শিরোনামে এসেছেন এই বাম প্রার্থী৷

অভিযোগ, কয়েকদিন আগে ভাঙড়ে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তিনি হুমকি দিয়েছেন৷ ভাঙড়ের ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নজরুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে বলেন ঝাণ্ডা খুলে দিলে দৌড় করিয়ে মারব৷ কিন্তু সে সময় ওই কর্মী বাড়িতে ছিলেন না৷ তার পরিবারের সদস্যদের বাম প্রার্থী হুমকি দিয়ে আসেন৷ এরপরেই নজরুল ইসলাম ভাঙড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যসহ ৩ জনের নামে।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে৷ সেদিন ভাঙরে প্রচারে বেড়িয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তার দলের কর্মীদের থেকে অভিযোগ পান যে,স্থানীয় তৃণমূল সমর্থকরা সিপিএমের দলীয় পতাকা নামিয়ে দিচ্ছে। অভিযোগ শোনা মাত্রই ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজে পাননি বিকাশরঞ্জন। বেড়িয়ে আসার পথে দেখতে পান যে ওই বাড়ির সামনে বাইক নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাকে ডেকে বলেন,আমি এই এলাকার প্রার্থী। আমার দলের পতাকা খুলে দেওয়া হচ্ছে। এটা যেন আর করা না হয়।

বর্ষীয়ান এই বাম নেতা আরও বলেন, ভোটের অধিকার কাড়লে তাকে ছেড়ে দেবেন না। ওরা ভয় পাচ্ছে বলে হুমকি দিচ্ছে। ওরা তো অনেক কিছু করেছে বলে দাবি করে তাহলে ভয় পাচ্ছে কেন ? ওরা আসলে চুরি ছাড়া কিচ্ছু করেনি। তাই হুমকি দিচ্ছে। আমি বলব ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে দেবেন না।

একইসঙ্গে তিনি বলেন , “পতাকা লাগানো প্রচারের অঙ্গ, কই আমিতো ওদের পতাকা খুলে দেই না। চাইলে এখনই যত তৃণমূলের পতাকা আছে নামিয়ে দিতে পারি, কিন্তু তাহলে তো প্রচার হল না। ওটা গুণ্ডামি।” এরপরেই বিস্ফোরক বিকাশ বলেন , “আমি সাবধান করে দিচ্ছি। আবার এমন করলে খুব খারাপ হবে। আমি মারব না। এমন দৌড় করাব যে জীবনে আর ভাঙরে আসবে না।”আগামী ১৭ মে রাজ্যের শেষ দফায় ৯টি লোকসভা আসনের মধ্যে একটি হল যাদবপুর কেন্দ্র৷ এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী৷