ফাইল ছবি

ভূজ: চরম লজ্জাজনক ঘটনা। কলেজ হস্টেলে কারও পিরিয়ড চলছে কিনা তা দেখতে পোশাক খুলে পরীক্ষা করা হয় মেয়েদের। সোমবার এ ঘটনা ঘটে গুজরাটের ভূজের সাহজানান্দ গার্লস ইনস্টিটিউটে। প্রধান শিক্ষিকা ও অন্যান্য শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতেই ঘটে এই অতীব লজ্জাজনক ঘটনা। এবার সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এফআইআর দায়ের করল গুজরাট পুলিশ।

এফআইআর দায়ের হয়েছে কলেজের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে আটক করা হয়েছে হোস্টেল ওয়ার্ডেন ও হোস্টেলের দুই মহিলা কর্মীকে।

ঠিক কী ঘটেছিল ওইদিন?

সোমবার হস্টেলের বাগানে পড়ে থাকতে দেখা যায় একটি ব্যবহৃত প্যাড। ঘটনার শুরু সেখান থেকেই । কোন মেয়ের ঋতুমতী তা নিশ্চিত করতে পোশাক খুলে দেখা হয়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ছাত্রীরা জানান, ‘অসম্ভব মানসিক নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের। কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে বোঝাতে পারব না।’

অবশ্য এই ঘটনার পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য দর্শনা ঢোলাকিয়া। বৃহস্পতিবার তিনি গিয়ে কলেজ ছাত্রীদের সঙ্গে দেখাও করেন।

তবে সারা দেশে যখন মেয়েদের এই শারীরিক প্রক্রিয়া নিয়ে অন্ধ বিশ্বাস দূর করার চেষ্টা চলছে, তখন এমন ঘটনা যাবতীয় প্রচেষ্টাকে ফের একবার প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল। উল্লেখ্য, কলেজটি স্বামী নারায়ণ মন্দিরের অনুগামীরা চালান এবং ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী সেখানে পড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।