মেদিনীপুর:  তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছিল অনেক আগেই, এখন বিক্রি করলেই দুশো টাকা জরিমানা দিতে হচ্ছে দোকানদারদের।

তামাকের মধ্যে রাসায়নিক আছে সেগুলো নানা রকমভাবে রোগের সৃষ্টি করে তার মধ্যে ক্যান্সার অন্যতম। আমাদের দেশে এই মুহূর্তে ক্যান্সারের যা প্রাদুর্ভাব তাতে দেখা গিয়েছে প্রতিবছর ৮ থেকে ৯ লক্ষ মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। যার মধ্যে ৩ থেকে ৪ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি কাজ। তাই তামাক জাতীয় দ্রব্য এবং তার ব্যবহার আমরা যদি বর্জন করতে পারি তাহলে ক্যান্সার বা আনুষঙ্গিক অনেক রোগ কমানো যাবে, এমনটাই মনে করেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই চন্দ্র মন্ডল।

ন্যাশনাল টোবাকো কন্ট্রোল প্রোগ্রামের আওতায় তামাকের ব্যবহার এর ক্ষতিকারক দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। মানুষকে সতর্ক করা যাতে করে তামাকজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার না করে। বিশেষ বিশেষ কিছু জায়গায় তামাক জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করা যায় না। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনরকম তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা যাবে না। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে বিক্রি করা যাবে না এবং খাওয়া যাবে না তামাক জাতীয় দ্রব্য।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের ন্যাশনাল টু কন্ট্রোল প্রোগ্রামের একটি স্কোয়াড বানিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। তমলুক জেলা সদরে বিভিন্ন দোকানে হানা দেয় স্কোয়াড। যেসব দোকানে তামাক জাতীয় দ্রব্য পাচ্ছে সেই দোকানদারকে ২০০ টাকা করে জরিমানা করছে। স্কোয়াডের দায়িত্বে ছিলেন ডেপুটি সি এম ও এইচ -টু ডাক্তার দিলীপ কুমার বিশ্বাস, ডিএসপি ডিআইবি অগ্নিশ্বর চৌধুরী, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরামর্শদাতা ইন্দ্রজা বাঁকুড়া সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

দোকানদারদের দাবি আরও একটু বেশি করে প্রচার চালালে ভালো হতো। আমরা কিছুই না জানতে পেরে হঠাৎ করে এসে জরিমানা করা হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তামাক বর্জনের পক্ষে ব্যবহারের বিপক্ষে যেতে হবে। তবেই সমাজ নতুন রূপরেখা দেখতে পাবে সুস্থ সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।