স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রথমেই রোগীর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে। তাই নিয়মিত রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপা জরুরি। আর এই জন্যই প্রয়োজন একটি পালস অক্সিমিটার ( Pulse Oximeter)। আঙুলের মাথায় ঠেকিয়ে সহজেই কয়েক সেকেন্ডে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ জানিয়ে দেবে এই যন্ত্র। এদিকে, চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা রোগীর শরীর থেকে ভাইরাস না পৌঁছে যায় আর এক ব্যক্তির শরীরে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে করোনা রোগীর ব্যবহৃত কোনও জিনিস যেন বাড়ির বাকি কেউ ব্যবহার না করেন। কিন্তু বাড়িতে একটাই অক্সিমিটার থাকলে, সেক্ষেত্রে কী করা হবে? আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা অক্সিমিটারে কি অক্সিজেনের মাত্রা মাপা যাবে?  তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হচ্ছে। জেনে নিন কী বলছেন চিকিৎসকরা৷

আরও পড়ুন: আশা জাগিয়ে সুস্থতার সংখ্যা পেরলো ৪ লক্ষ, নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস (Dr, Arindam Biswas) বলছেন, স্যানিটাইজ করে অক্সিমিটার ব্যবহার করলে ক্ষতি নেই। একটা পাতলা প্লাস্টিকও জড়িয়ে নিলে ভাল হয়৷ তবে অক্সিমিটার ব্যবহার করার আগে ও পরে ভাল করে হাত ধুতে হবে৷

আরও পড়ুন: আমফানের মতোই মারাত্মক হতে পারে ‘যশ’, ধেয়ে আসছে ভয়াল এই ঘূর্ণিঝড়

পালস অক্সিমিটারে (Pulse Oximeter)- অক্সিজেন লেভেল মাপবেন কীভাবে?

 রোগীর আঙুলে কোনও রকম নেল পালিশ অথবা ফলস নেল থাকলে চলবে না।

রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার আগে অন্তত পাঁচ মিনিট বিশ্রাম নিন।

 এর পরে পালস অক্সিমিটার অন করে তর্জনী ঢুকিয়ে দিন।

শুরুতে রিডিং বদলাতে থাকবে। রিডিং স্থির হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

আরও পড়ুন: বাড়ছে সংক্রমণ, রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতেও এবার সেফ হোম তৈরির উদ্যোগ

 সব থেকে বেশি যে সংখ্যাটি অন্তত পাঁচ সেকেন্ড বদলায়নি, সেই সংখ্যাটি লিখে রাখুন।

এইভাবে দিনে অন্তত তিন বার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মাপতে থাকুন।

দুই রিডিংয়ের পার্থক্য চার শতাংশের বেশি হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

মনে রাখবেন, রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়াতে রোগীকে উপুড় হয়ে পেটের উপর ভর দিয়ে শুতে হবে। পেটের নীচে বালিশ রাখবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.