নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস অতি মহামারী গোটা বিশ্বকে সুযোগ দিল চরম সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে যেখানে উষ্ণায়ন, সম্পদ কুক্ষিগত করা এবং বেকারত্ব থাকবে না। শুক্রবার এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ ইউনুস।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইউনুস নতুন ব্যবস্থার সূচনা করার ডাক দিয়েছেন যেখানে গ্রামীণ এবং অসংগঠিত অর্থনীতি এবং সমাজের সব ক্ষেত্র জায়গা পাবে।করোনা অতি মহামারী আকার ধারণ করায় রাহুল গান্ধী একের পর এক এইরকম আলোচনায় ব্যবস্থা করছেন। যেখানে শিল্পপতি ছাড়াও অর্থনীতি, মহামারী সংক্রান্ত বিদ্যায় বিশেষজ্ঞরা এসেছেন আলোচনা করতে।

ক্ষুদ্র ঋণের জনক ইউনুসের বক্তব্য, “করোনা আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে কতটা সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। চিন্তা ভাবনার জানলা খুলে দিয়েছে, আমাদের বেছে নিতে হবে, যাতে এক ভয়ঙ্কর বিশ্বের দিকে ধাবিত হয়ে সবকিছু ধ্বংস করবে অথবা অন্য কোনও বিশ্ব গড়বে যেখানে উষ্ণায়ন, সম্পদের কেন্দ্রীকরণ এবং বেকারত্ব থাকবে না।”

মহিলা এবং পরিযায়ী যারা সমাজের একেবারে তলায় অবস্থিত সেইসব দরিদ্রদের স্বীকৃতি দেওয়ার দিকে জোর দিতে বলেন। তার অভিমত, “আর্থিক ব্যবস্থায় ভুল পথে নকশা করা হয়েছিল। করোনা এখন এই দুর্বলতা তুলে ধরেছে। সবক্ষেত্রেই দরিদ্র মানুষ ছড়িয়ে আছে অথচ অর্থনীতি তাদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না।”

পাশাপাশি তিনি পশ্চিমী অর্থনৈতিক মডেলের সমালোচনা করেন। তার মতে, ওই ব্যবস্থার ভিত্তি শহরাঞ্চলকে হাব এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শ্রমিক সরবরাহকারী হিসেবে দেখা হয়। এরই রেশ টেনে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রসঙ্গ তোলেন যা গড়ে উঠেছে বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে এবং কোনও আইনগত ব্যাপার নয় বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে লক্ষ লক্ষ ডলার ঋণ দেওয়া হচ্ছে গরিবদের আর তারা সেটা সময়মতো ফেরত দিচ্ছে সুদ সহ।

এখন ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থা কে গ্রহণ করে গোটা দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটেছে বলে দাবি করেন এই নোবেলজয়ী বাংলাদেশি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ