কলকাতা: জীবনটাই বদলে দিয়েছে করোনা। ধীরে-ধীরে লকডাউন থেকে আনলক পর্বে উঠে এলেও এখনও বহু কাজের ক্ষেত্রে করোনা অন্তরায় থেকে যাচ্ছে। এই রোগকে আটকাতে অনেকেই এখনও বাড়িতে কাজের লোক ঢুকতে দিচ্ছেন না। ফলে একটা বড় অংশের পরিচারিকারা ঘোর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন।

বাড়ির ঘরদোর পরিষ্কার, বাসন মাজা, রান্না করা ইত্যাদি নানা ধরনের গৃহের কাজে সহায়তা করে থাকে বহু মানুষ। কিন্তু করোনাকে আটকাতে লকডাউন জারি হওয়ার এদের রুজি রোজগার বন্ধ হয়েছে। লকডাউনের সময় কাজের লোকেদের বেতন দেওয়ার কথা বলা হলেও এইসব গৃহসহায়িকাদের বেশিরভাগই গত ছয় সাত মাস ধরে কোনরকম বেতন পাচ্ছেন না।

তাছাড়া পুজোর সময় তারা কিছু অতিরিক্ত অর্থ অথবা জামা কাপড় পেয়ে থাকেন। কিন্তু সে ব্যাপারেও এক অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে। সব মিলিয়ে চরম আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি এখন এরা।

এইসব মানুষগুলির অনেকেই শহরতলী থেকে ট্রেনে করে মহানগরীতে আসতেন বাড়ি বাড়ি গৃহসহায়িকার কাজ করতে। ট্রেন বন্ধ থাকায় এদের অনেকেই আসতে পারছেন না। কিন্তু যারা তুলনায় কাছাকাছি থাকতেন তারা আসতে চাইলেও কাজে যোগ দিতে পারছেন না। কারণ সেইসব বাড়ির গৃহকর্তারা করোনার ভয়ে বাইরে থেকে আসা লোককে দিয়ে বাড়ির কাজ করাতে চাইছেন না।

গোটা পরিস্থিতি ঘিরে জটিলতা দেখা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের কাছে এইসব মানুষগুলো দাবি-দাওয়া কথা জানালেও কোন কাজ হয়নি। তাদের সমস্যা ও দাবি দাওয়া কথা জানাতে বুধবার রাজ্য গৃহ সহায়িকা ইউনিয়নের উদ্যোগে ঢাকুরিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে গরিয়াহাট পর্যন্ত মিছিল করে‌।

লকডাউনের সময় থেকে বকেয়া বেতনের পাশাপাশি বোনাসের দাবি তোলা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিমাসে পরিবার পিছু সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী দাবি জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। এই সময় বাড়ির কাজে আসার সময় করোনা সংক্রমণ মুক্ত থাকতে মাস্ক, স্যানিটাইজার ইত্যাদি দেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।