নয়াদিল্লি: শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হল হালুয়া উৎসব। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল বাজেট প্রক্রিয়াকরণের কাজ। ১ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বাজেট পেশ করতে চলেছেন।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং তার অধীনে থাকা গোটা টিম ব্যস্ত বাজেট তৈরির ব্যাপারে। বিশেষত এই করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির যা বেহাল দশা সেখানে বাজেট প্রস্তুত করা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন – নেতাজি ভবনে শুধুই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, রাজনীতির প্রবেশে বাধা

বাজেট পেশের দিনকয়েক আগে এই হালুয়া উৎসবের আয়োজন করা হয়। বছরের পর বছর বাজেটের সঙ্গে হালুয়া রান্নার এক সম্পর্ক রয়েছে ৷ এই হালুয়া রান্না এদেশের সাধারণ বাজেটের অন্যতম অঙ্গ বলেই ধরা হয়। কারণ যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক আর যিনিই অর্থমন্ত্রী হোন না কেন, বাজেটের কাজ পুরো দমে শুরু করার আগে এই হালুয়া রান্নার করার পর অনেকটা প্রসাদের মতো তা বিতরণ করা হয় অর্থ মন্ত্রকের কর্মীদের মধ্যে৷

গোটা কাজটাই হয় নয়াদিল্লির নর্থ ব্লকের একটি পাতালঘরে। এরপর বাজেটের তৈরীর কাজ চলে চরম গোপনীয়তায়। দেশের বাজেট প্রস্তুতি এবং তা ছাপার বিষয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে হয়৷ যথক্ষণ পর্যন্ত অর্থমন্ত্রীর বাজেট পেশ না করছেন ততক্ষণ বাজেট তৈরির সঙ্গে যুক্ত অর্থমন্ত্রকের প্রায় শখানেক কর্মী কার্যত বন্দি থাকেন এরপর ১০ দিন।

আরও পড়ুন – সিঙ্ঘু সীমান্তে ফের এক কৃষকের আত্মহত্যা, দাঁতে দাঁত চেপে লড়ছেন অন্নদাতারা

এই সময়ে ওই কর্মীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন না ৷ বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন না ওই বিশেষ ঘরে একটি মাত্র টেলিফোন থাকে। সেটার মাধ্যমে শুধু কল রিসিভ করা যায়। ফোন রিসিভ করার ক্ষেত্রেও গোয়েন্দা কর্তারা নজর রাখেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।