নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতির জন্য গোটা দেশের বেহাল দশা। কারণ রাজস্ব আদায়ে ঠিকমত না হওয়ায় আর্থিক দিক থেকে বেহাল দশা কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যগুলিরও। সেক্ষেত্রে সব দিক বিচার করে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন আর্থিক স্থিরতা বজায় রাখার ব্যাপারে জোর দিতে চাইছে। কমিশনের চেয়ারম্যান এন কে সিং এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ।  শনিবার এক ওয়েব মিনারের মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে আগামী পাঁচ বছর রাজ্যে রাজস্বের ৪১ শতাংশ রাজ্যগুলিকে জন্য বেঁধে  দেওয়া দরকার বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই আলোচনার সময় অবশ্য বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী মনে করিয়ে দিয়েছেন ইতিমধ্যে মোট রাজস্বের  সেস এবং সার চার্জ বাবদ কেন্দ্রের আদায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। তার অভিমত, এই সেস এবং সার চার্জ থেকে পাওয়া অর্থ কেন্দ্রের উচিত রাজ্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। এই খাতে আদায় বৃদ্ধি হওয়ায় রাজ্যগুলি ধীরে ধীরে রাজস্ব হারাচ্ছে।

কমিশনের হিসেব অনুসারে ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ সাল পর্যন্ত মোট রাজস্ব আদায় হতে পারে ১৩৫.২ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে সেস এবং সারচার্জ এবং কর আদায়ের জন্য খরচ বাদ দিলে সরকারের হাতে থাকবে ১০৩ লক্ষ কোটি টাকা। সে ক্ষেত্রে যদি রাজ্যগুলি ৪১ শতাংশ করে পায় তাহলে তাদের জন্য মোট বরাদ্দের অংকটা দাঁড়াবে ৪২.২ লক্ষ কোটি।

সম্প্রতি মূল্যায়ন সংস্থা ইন্ডিয়া রেটিংসের প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, মোট কর আদায়ের অংকে সেস এবং সারচার্জ খাতে আয় দ্বিগুণ হয়েছে। যেখানে ২০১১-১২ সালে ছিল ১০.৪ শতাংশ সেটাই ২০১৯-২০ সালে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৯.৯ শতাংশ। অন্যদিকে রাজ্যগুলিকে দেওয়া করের ভাগ ২০১১-১২ সালে যেখানে ছিল ৫৩.৪ শতাংশ সেটাই ২০১৯-২০ সালে কমে হয়েছে ৪৮.৬ শতাংশ। এর পাশাপাশি সুশীল মোদী দাবি করেছেন, জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস ছাড়াও কেন্দ্রের ঘরে এই খাতে এসেছে ১৫ শতাংশ। যার ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে রাজ্যগুলি বলে তিনি বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।