ব্রিসবেন: ‘এক বিহারী, অস্ট্রেলিয়া পে ভারি।’ সিডনি টেস্টের পঞ্চমদিন ভারতের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হনুমা বিহারীর দৃঢ়চেতা ব্যাটিংকে কুর্নিশ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিপক্ষকে এভাবেই ট্রোল করছিলেন ভারতীয় সমর্থকেরা। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়ে হ্যাজেলউড, স্টার্ক কিংবা কামিন্সদের সামনে বিহারীর ১৬১ বল ক্রিজ আঁকড়ে থেকে এসসিজি’তে ম্যাচ বাঁচানো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ভারতীয় ক্রিকেটে। অথচ সেই বিহারীর ব্যাটিং’য়ের সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোলড হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

যে বিহারীর উইলোয় ম্যাচ বাঁচিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া, সেই বিহারীকেই ‘ক্রিকেটের খুনি’ সম্বোধন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় যার জেরে ব্যাপক ট্রোলও হতে হয় মন্ত্রীকে। দিনদু’য়েক পর মেজাজেই বাবুলকে পালটা দিলেন বিহারী। না কোনও ঔদ্ধত্য নয়, বরং ভীষণ সংযত থেকে ছোট্ট টুইটেই ভারতের মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে। একইসঙ্গে তাঁর আপাত নিরীহ স্বভাবেরও পরিচয় তুলে ধরেন। ঠিক যে সংযত আচরণ বা শান্ত স্বভাব সোমবার সিডনিতে ম্যাচ বাঁচাতে সাহায্য করেছিল তাঁকে।

সিডনিতে হ্যামস্ট্রিং’য়ে যন্ত্রণা নিয়েও বিহারী যখন অসীম ধৈর্য্যের পরিচয় দিচ্ছেন তখন বাবুল সুপ্রিয় টুইটে লেখেন, ‘১০৯ বল খেলে মাত্র ৭ রান। খুব খারাপ বললেও কম বলা হয়। হনুমা বিহারী কেবল ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের সুযোগ থেকেই বঞ্চিত করল না ভারতকে বরং ঠান্ডা মাথায় ম্যাচটা খুন করল। স্বল্প সুযোগ থাকলেও সেটার কোনও পথ খোলা না রাখা অপরাধের।’ পোস্টস্ক্রিপ্ট হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবার এও লেখেন, তিনি নাকি ক্রিকেটের কিছুই বোঝেন না।

ক্রিকেটের কিছু না জেনে বাবুল সুপ্রিয়র এই ভিত্তিহীন টুইটের সমালোচনায় মুখরিত হয় নেটিজেনরা। তাতেও মন্তব্য থেকে টলানো যায়নি বিজেপি সাংসদকে। পর আরেকটি টুইটে বাবুল লেখেন, ‘খারাপ বলগুলোকে হনুমা যদি বাউন্ডারি হাঁকানোর উদ্যোগ নিত তাও হত। পন্ত যেটা করেছিল সেটা কেউ প্রত্যাশা করেনি। হনুমা ক্রিজে সেট হয়ে গিয়েছিল। তাই খারাপ বলগুলো চাইলেই মারতে পারত ও।’

সেই টুইটের পালটা দিয়ে এদিন সিডনির নায়ক একটি ছোট্ট টুইটে বাবুল সুপ্রিয় তাঁর নামের বানান ভুল লেখায় তা শুধরে দেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান। আসলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওইদিন ইংরেজিতে হনুমার নামের বানান লিখেছিলেন ‘Hanuma Bihari’। কিন্তু ওটা ‘Bihari’ নয় ‘Vihari’। এদিন পালটা টুইট করে সেটাই সংশোধন করে দেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।