নয়াদিল্লি: অবশেষে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিএসএনএল দেশজুড়ে ফোর জি পরিষেবা শুরু করছে। ১১০০০ কোটি টাকা দিয়ে বিএসএনএল দেশজুড়ে ফোরজি চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এজন্য সংস্থার পক্ষ থেকে উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ জোনে ৫০০০০ নতুন ফোরজি সাইট এবং দিল্লি এবং মুম্বাই জোনের (এম টি এন এলের জন্য) ৭০০০ সাইট করতে ৮৬৯৭ কোটি টাকা লগ্নি করা হচ্ছে। এজন্য ভেন্ডারদের আবেদন করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে ৮ মে এবং তারপর দিন ৯মে ‘বিড ওপেন’ করা হবে।

এছাড়া সংস্থার প্রায় ৪৩০০০ টুজি এবং থ্রিজি সাইট আপগ্রেড করা হবে ফোরজিতে। যার জন্য খরচ পড়বে ৩৫০০-৪০০০ কোটি টাকা। নিলামে ওঠা নথির ভিত্তিতে যে সংস্থা সবচেয়ে কম বিড করবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এবং বাণিজ্যিক দিক থেকে সেই সংস্থাটিকে বেছে নিতে বলা হবে পাঁচটি জোনের মধ্য থেকে যে কোনো তিনটি জোন । তারপরে যে সবচেয়ে কম বিড করেছে তাকে বাকি দুটি জোনের থেকে একটি বেছে নিতে বলা হবে তবে তাকেও সবচেয়ে কম দেওয়া বিড প্রাইসে কাজ করতে হবে।

এখন যদি দ্বিতীয় সবচেয়ে কম বিডার তা নিতে অস্বীকার করে তখন সেটা তৃতীয় সবচেয়ে কম বিডারকে অফার করা হবে একই শর্তে। কিন্তু যদি পরবর্তী সকলেই তা নিতে অস্বীকার করলে সবচেয়ে কম দামে যে সংস্থা ব্রিড করেছিল তাকে বাকি দুটি জোনের একটিকে নিতে বলা হবে। যে পঞ্চম জোনটি পড়ে রইল তা দেওয়া হবে আইটিআই-কে তবে আইটিআই যদি তা নিতে অস্বীকার করে তবে এটির কাজ করতে হবে ঐ সবচেয়ে কম দামে বিড করা সংস্থাটিকে।

সরকার গত অক্টোবরে অনুমোদন করেছিল ৭০০০০ কোটি টাকার দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পুনর্জীবন প্যাকেজ। এই প্যাকেজের একটা বড় অংশ ২৯৯৩৭ কোটি টাকা বেরিয়ে গিয়েছে সেখানকার ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে কর্মীদের স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্পের জন্য। বিএসএনএলের ৭৮৩০০ এবং এম টি এন এলের ১৪,৩৭৮ জন স্বেচ্ছা অবসর নেয়। সরকার ওইসব কর্মীদের পেমেন্ট বাবদ ১০০০০ কোটি টাকা ছাড়ে।

এই স্বেচ্ছা অবসরের পরে কর্মীদের বেতন বাবদ মাসিক খরচ অনেকটাই কমে গিয়েছে এবং সংস্থা তার পরিষেবা বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে। ফোরজি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা করার জন্য বিএসএনএল ইতিমধ্যেই সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে যাতে বাজার থেকে ১৫০০০ কোটি টাকা তুলতে পারে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প