মুম্বই: অবশেষে সুশান্তের সম্পর্কে মুখ খুললেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডে। রিপাবলিক টিভির সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিপ্রেশনে চলে যাওয়ার মতন মানুষ সুশান্ত নন। এক সময় টানা ৬ বছর সম্পর্কে ছিলেন সুশান্ত-অঙ্কিতা। অনেকটা কাছ থেকে দেখেছেন প্রয়াত অভিনেতাকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট বললেন, সুশান্তের মতো মানুষ আর কখনো দেখেননি।

সুশান্তের মৃত্যুর পর মুম্বাই পুলিশ জানায় অবসাদে ভুগছিলেন অভিনেতা। এই প্রসঙ্গে অঙ্কিতা প্রশ্ন তুলেছেন, কিভাবে একজনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ বলে দেয় যে এটা আত্মহত্যা। কিভাবে ১০ মিনিটের মধ্যে বলে দেওয়া হয় সুশান্ত অবসাদে ভুগছিলেন। অঙ্কিতা মনে করেন সুশান্ত একদমই অবসাদে চলে যাওয়ার মতো মানুষ নন। তিনি খুবই হাসি খুশি এবং প্যাশনেট একজন মানুষ ছিলেন। অবসাদে চলে যাওয়ার ন্যারেটিভ তৈরি করেছে বলিউডের লবি। এমনই দাবি করেছেন অঙ্কিতা।

অঙ্কিতা বলছেন, “আমি ওকে যতটা চিনি তাতে আমি বলতে পারি ও অবসাদগ্রস্ত হওয়ার মত ছেলে নয়। আমি সুশান্ত এর মত আর কোনো ছেলে দেখিনি যে নিজের স্বপ্নগুলো লিখে রাখত। ওর একটা ডাইরি ছিল। ও লিখে রাখত ৫ বছর পরে ও নিজেকে কীভাবে দেখতে চায়। আর পাঁচ বছর পরে সেই সব কটা স্বপ্ন পূরণ করেছিল।

আর এখন যখন দেখছি ওর নামের সঙ্গে ডিপ্রেসড কথাটা জুড়ে দেওয়া হচ্ছে তখন খুব খারাপ লাগছে। হয়তো ও কোনও ব্যাপার নিয়ে দুঃখে ছিল বা ভয়ে ছিল। কিন্তু ডিপ্রেশন একটা বড় শব্দ। ওকে বাইপোলার বলে ডাকা হচ্ছে! আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ও অবসাদগ্রস্ত ছিল না। ও একটা ছোট শহর থেকে এসে নিজের জায়গা তৈরি করেছিল। আমাদের সকলের অনুপ্রেরণা ছিল। আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছিল। আমার অভিনয় শিখিয়েছিল। কেউ কি সত্যিই জানে ও কেমন ছিল? সবাই নিজের মতো করে যা খুশি লিখছে।”

অঙ্কিতা আরও বলছেন, “ছোট ছোট বিষয় ও খুশি হত। ফার্মিং পছন্দ করত। আমার মনে আছে ও বলতো, কিছু যদি না করতে পারি শর্ট ফিল্ম বানাবো। আমি জানিনা ও কী পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ও কখনই ডিপ্রেসড ছিল না। আমি ওকে একজন অবসাদগ্রস্ত মানুষ হিসেবে মনে রাখতে চাই না। ও আমার কাছে হিরো। একজন অনুপ্রেরণা।”

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।