কলকাতা: দীর্ঘ কয়েকমাসের কোভিডের আতঙ্কে কাটিয়েছে সারা বিশ্বের মানুষ। আবার ক্রমশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে মানুষ। মানুষ ফিরে যেতে চাইছে নিজেদের চেনা জীবনযাপনে। করোনা বড় প্রভাব ফেলেছে বিনোদন জগতে। আর তাই পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই বিনোদনের নতুন দিশা এনে দিল ‘ফিল্ম ও ফেস্টস’। গ্লোবাল ভার্চুয়াল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-২০২১।

এক অভিনব চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন শুরু করেছে তারা। এখানে সব কিছুই হবে www.filmofests.com এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। এতদিন যেখানে শুধুমাত্র শর্টফিল্মের উৎসব হত, সেই ধারাতে নতুন মাত্রা দিতে এখানে শর্ট ফিল্মের পাশাপাশি তথ্যচিত্র, অ্যানিমেশন ফিল্ম, মোবাইল ফিল্ম, মিউজিক ভিডিও, ড্রোন ফিল্ম সহ একগুচ্ছ বিভাগ শুরু হয়েছে। এই উৎসবে বেশ কয়েক‌টি অভিনব বিভাগ রয়েছে, ‌যা বাংলায় এই প্রথম।

‌যেমন চলচ্চিত্র নিয়ে কলেজে পাঠরত ছাত্রদের জন্য একটি আলাদা বিভাগ আছে, তেমনই আঠারো বছরের চেয়ে কম বয়সী পরিচালকদের জন্যও একটি বিভাগ রয়েছে। নতুন প্রজন্মের পরিচালকদের চিন্তাভাবনাগুলি যেন আরও পরিপুষ্ট হতে পারে এবং সাধারণ দর্শকেরা ফিল্ম প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়গুলির সঙ্গে আরও ভালোভাবে পরিচিত হতে পারেন সেজন্যই এরকম উদ্যোগ। উৎসব কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, শুধুমাত্র ভারতীয় ভাষার ছবি নয়, সারা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের, যেকোনো ভাষায় তৈরি ছবি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে। ইতিমধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় বিপুল সাড়া ফেলে দিয়েছে ‘ফিল্ম ও ফেস্টস’।

গত ৬ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে প্রতিযোগীদের আবেদন জমা পড়া শুরু হয়েছে। চলবে ৫ জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত। গত পাঁচ বছরের মধ্যে নির্মিত ফিল্মগুলি এখানে আবেদন করতে পারবে। ফেস্টিভ্যালের চেয়ারপার্সন প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক গৌতম ঘোষ জানিয়েছেন, ‘একজন ফিল্ম-মেকারের দক্ষতা ছোটো ছবির মাধ্যমেই বুঝে নেওয়া যায়। আমরা এই ফেস্টিভ্যালে একঝাঁক নতুন পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, অভিনেতা-অভিনেত্রীকে খুঁজে পাব বলে আশা করছি’।

প্রাথমিক পর্বে নির্বাচিত ছবিগুলিকে জানুয়ারি মাসে টানা এক সপ্তাহ ধরে ফেস্টিভ্যালের ওয়েবসাইটে দেখানো হবে ফ্রি স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে। তারপর হবে চূড়ান্ত পর্বের নির্বাচন। প্রতিযোগিতায় সফল ছবিগুলির জন্য রয়েছে ক্যাশ প্রাইজ।

‘ফিল্ম ও ফেস্টস’ কর্তৃপক্ষের আশা এটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম মেকারদের জন্য একটি নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হতে চলেছে।শুধু তাই নয় আগামী দিনে তাঁদের নিয়ে ‌যে ‘ফিল্ম ও ফেস্টস’পরিবার তৈরি হবে সেখানে ছবির প্রসার ছাড়াও ছবি বানানোর ক্ষেত্রেও সবরকম সু‌যোগ সুবিধা পাবেন পরিচালকরা। এই লিঙ্কে ক্লিক করে আপনি জেনে নিতে পারবেন বিস্তারিত- www.filmofests.com

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।