নয়াদিল্লি: পাঁচ মাস পার হয়েছে অন্নদাতাদের আন্দোলন। বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হাজার হাজার কৃষক। এদিকে দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনার দাপট। এরই মাঝে কৃষক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত করোনার সঙ্গে লড়াই করা। কৃষকদের সঙ্গে নয়। এদিন আবার কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দাবি না মানলে আন্দোলন চলতে থাকবে।

আন্দোলনরত কৃষকদের টিকা প্রদানের জন্যে এদিন কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেন এই কৃষক নেতা। এছাড়া ভাইরাস থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানোর আবেদনও জানান। কৃষক মোর্চার তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে গতবছরের লকডাউন শুরুর সময়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা কেন্দ্রকে মনে করিয়ে দিয়ে বলা হয় যে, কেন্দ্রীয় সরকারের করোনার রাশ টানতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নাহলে পুরনো স্মৃতি আবার ফিরতে সময় লাগবে না। আরও বলা হয় যে, দেশের কৃষকদের দাবি মানলেই এই আন্দোলন শেষ হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার জন্যও সরকারকে যথাসাধ্য চেষ্টা করা উচিত যাতে তারা কোনও সমস্যায় না পড়েন।সরকার যদি কৃষক-শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণের জন্যে সত্যিই উদ্বিগ্ন হন তবে তাদের উচিত কৃষকদের দাবি মেনে নেওয়া।

সংযুক্ত কৃষক মোর্চা দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের শোষণমূলক নীতির জন্যে ইতিমধ্যেই ৩৭৫ জন কৃষক মারা গিয়েছেন। ভারতীয় জনতা পার্টি কেবলমাত্র নিজেদের প্রচার চালিয়ে বেড়াচ্ছে। সরকারের উচিত অন্নদাতাদের দাবি মেনে নেওয়া।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে ১১ বার মোদী সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে মুখোমুখি হয়েছেন কৃষকরা। তিন কৃষি আইন বাতিল করতেই হবে, এ দাবিতে এখনও অনড় তাঁরা। তাঁদের ওই দাবির পরিবর্তে ১২-১৮ মাসের জন্য নয়া আইন স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল সরকার। কিন্তু, তা মানতে নারাজ দেশের অন্নদাতারা। কৃষক নেতা রাকেশ তিকাইত হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, আইন প্রত্যাহার না করা হলে কৃষকরা অন্য রাস্তা বেছে নেবেন।’তিনি আরও বলেছিলেন, ‘কমিটির সঙ্গে সরকার বৈঠক করতে রাজি না হলে আমাদের বিক্ষোভ জারি থাকবে। দেশজুড়ে ফসলের ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ দাম থাকা উচিত।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.