অ্যান্টিগা: শূন্য রানে আউট হয়েও তৃতীয় দিন মর্নিং সেশনে ভারতীয় বোলারদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন মিগুয়েল কামিন্স। রান না করলেও ৯৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৪৫ বল খেলে রেকর্ডবুকে নাম তুলে ফেলেন এই ক্যারিবিয়ান পেসার। কামিন্সকে সঙ্গে নিয়ে নবম উইকেটে মূল্যবান ৪১ রান যোগ করেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। এরপর ব্যক্তিগর ৩৯ রানে মহম্মদ শামির শিকার হন হোল্ডার। এরপর শুন্য রানে মিগুয়েল ফিরতে ২২২ রানে শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস।

৭৫ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে খুব একটা সফল হতে পারেননি ময়াঙ্ক আগরওয়াল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১৬ রানে রস্টন চেসের বলে লেগ বিফোর হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে পূজারার সঙ্গে ৪৩ রান যোগ করে ব্যক্তিগত ৩৮ রানে ফেরেন কেএল রাহুল। রাহুলও চেসের শিকার হন। চা-বিরতির আগেই তৃতীয় উইকেট উইকেট হারায় টিম ইন্ডিয়া। ব্যর্থ পূজারা ফেরেন ২৫ রানে।

তিন উইকেটে ৮১ রান হাতে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক কোহলি ও তাঁর ডেপুটি রাহানে। দিনের বাকি সময়টা স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে কোহলি-রাহানে শো। ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে ক্যারিবিয়ান বোলারদের সেভাবে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার সুযোগ দেননি অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। প্রথম ইনিংসে তাঁর লড়াকু অর্ধশতরানেই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দল। দ্বিতীয় ইনিংসেও অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে তৃতীয় দিনের শেষে দলকে ‘অ্যাডভান্টেজ’ দিলেন রাহানে। দিনের শেষে ৫৩ রানে অপরাজিত তিনি।

উলটোদিকে প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে দলনায়ক কোহলির ব্যাটে ভরসা পেল মিডল অর্ডার। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে রাহানের পাশাপাশি অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন বিরাটও। দিনের শেষে ৫১ রানে অপরাজিত তিনি। তৃতীয়দিনের সমাপ্তিতে দলের রান ৩ উইকেটে ১৮৫। দ্বিতীয় ইনিংসে আপাতত ভারতীয় দল এগিয়ে ২৬০ রানে। চতুর্থ ইনিংসে বড় রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই চতুর্থদিন ব্যাটে নামবেন অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান। তবে বলাই যায়, তৃতীয়দিনের তৃতীয় সেশনে কোহলি-রাহানের ব্যাটে প্রথম টেস্টে চালকের আসনে ভারত।