কলকাতা: বুধবার মধ্যরাতে মোহনবাগান দিবসে এশিয়ার সবচেয়ে পুরনো ফুটবল ক্লাবকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। মোহনবাগানের গন্ডি কেবল ভারত কিংবা এশিয়াতেই সীমাবদ্ধ নেই। সবুজ-মেরুন রংটার ব্যাপ্তি জগৎজোড়া, সেটা বুঝিয়ে দিয়ে নাসদাক বিলবোর্ড মধ্যরাতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল সবুজ-মেরুন রং’য়ে। ভেসে উঠেছিল পালতোলা নৌকোর ছবিতে।

টাইমস স্কোয়্যারের সেই ছবি পোস্ট করে কয়েকঘন্টা পর গোষ্ঠ পাল সরণির ক্লাবকে শুভেচ্ছা জানাল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। শুধু ছবি পোস্ট করাই নয়, ক্যাপশন হিসেবে তাঁরা লিখেছে, ‘নিউ ইয়র্ক শহরের বিলবোর্ডে যখন কোনও ক্লাবের নাম সম্মানের সঙ্গে জ্বলজ্বল করে তখন বুঝতে হবে মোহনবাগান শুধু একটা ক্লাব নয় বরং তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু। শুভ মোহনবাগান দিবস ২০২০।’ শেষবেলায় বাগানকে আরও দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে ফিফা ক্লাবের সমর্থকদের কথাও উল্লেখ করেছে।

ফিফা জানিয়েছে, মোহনবাগান গ্রহের অন্যতম একটি নাম যেখানে প্যাশনের সঙ্গে সমর্থকেরা ক্লাবকে সমর্থন করে থাকেন। টাইমস স্কোয়্যারের ঘটনার পর ফিফার এহেন শুভেচ্ছাবার্তা সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কলার যে আরও উঁচু করে দিয়েছে সেবিষয়ে সন্দেহ নেই। উল্লেখ্য, ১৯১১ শিল্ডজয়ের সেই দিনটা প্রতি বছর পালিত হয়ে আসছে ‘মোহনবাগান দিবস’ হিসেবে। বুধবার সেই বিশেষ দিনে মার্কিন মুলুকে টাইমস স্কোয়্যারের নাসদাক বিলবোর্ড কুর্নিশ জানায় সবুজ-মেরুনের ফেলে আসা দিনগুলোর ঐতিহ্যকে। বিলবোর্ডে ভেসে ওঠে মোহনবাগানের লোগো, যেখানে লেখা, ‘১৩১ বছরের এক ঐতিহ্য, যা তুলনাহীন। সময় এসেছে ফের নতুন করে বিশ্বাস রাখার।’

মোহনবাগান দিবসে এমন ঘটনা পৃথিবীব্যাপী সবুজ-মেরুন সমর্থকদের বুকের ছাতি যে গর্বে আরও কয়েক ইঞ্চি চওড়া করে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। অতিমারী করোনা তার উপর রাজ্যে লকডাউন যখন অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই ফিকে করে দিয়েছে গর্বের দিনটিকে। তখন সুদূর নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়্যার হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। দেখিয়ে দিল কেবল ভারত কিংবা এশিয়া নয়, মোহনবাগান রেলায় আছে গোটা বিশ্বজুড়েই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.