নদিয়া: রেললাইনের ধারে রহস্যজনকভাবে এক যুবকের মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো নদিয়ার বেথুয়াডহরীতে৷ বুধবার সকালে সুমন বৈরাগ্যের মৃতদেহ দ্বিখণ্ডত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়৷ ওই মৃত যুবকের নাম সুমন বৈরাগ্য৷

রেল পুলিশের বক্তব্য, ট্রেনে কাটা পড়ার জন্যই এই ঘটনাটি ঘটেছে৷ যদিও সুমনের পরিবারের দাবি, সুমনকে খুন করা হয়েছে৷ পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় মারুতি চালক সুমনের সঙ্গে গতকাল ঝামেলা হয় পাশের পাড়ার এক যুবক জীবন কৃষ্ণ দাসের সঙ্গে৷ মূলত গাড়ি পার্কিং করতে গিয়েই সুমনের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে জীবন কৃষ্ণ দাসের ইকো গাড়ির সঙ্গে। আর তারপরই শুরু হয় বচসা৷ জীবণ কৃষ্ণ ও তার ড্রাইভার মারধর করে চালককে৷ এর পাশাপাশিই একদিনের মধ্যেত কুড়ি হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। প্রতক্ষদর্শীদের মতে, টাকা না পেলে তাকে সমুচিত শিক্ষা দেবে বলেও শাসায় তারা।

এরপর সে বাড়িও ফিরে এসে গাড়ি পার্ক করে সে চলে যায়৷ এরপর থেকেই নিঁখোজ ছিলো সে৷ আজ সকালে তার রেলে কাঁটা পরা দেহ উদ্ধার করে জি আর পি।সুমনের বাড়ীর লোকের অভিযোগ সুমনকে খুন করছে জীবন কৃষ্ণ দাস। জি আর পি পক্ষ থেকে একটি মামলা রজু করা হয়েছে, এবং বেঙ্গল পুলিশের সঙ্গে মিলে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই মৃতদেহটিকে পাঠানো হয়েছে৷ তদন্তকারীদের বক্তব্যহ, ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.