স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারকে দেখে কষ্ট হচ্ছে। সিবিআই জেরার পর কলকাতায় ফিরে এমনটাই বললেন কুণাল ঘোষ। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

জেরা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘আজ থেকে ৬ বছর আগে আমি যখন বিচারের আশায় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম, তখন রাজীব কুমারের কষ্ট হয়নি। কিন্তু আজ রাজীব কুমারের জেরা হচ্ছে দেখে আমার কষ্ট হচ্ছে।’

তাঁর কথায়, একজন আইপিএস অফিসারকে ঘণ্টার পর ঘণ্টার একই বিষয় নিয়ে গোয়েন্দারা প্রশ্ন করে যাচ্ছেন, সেটা বেশ কষ্টের। তবে ছ’বছর পর যে জেরায় বসে কুণাল ঘোষের অভিযোগ গুলো শুনতে হচ্ছে রাজীব কুমারকে, সেটা নিজের নৈতিক জয় হিসেবেই দেখছেন কুণাল ঘোষ।

তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘২০১৩-তে যদি আমার কথা রাজীব কুমার শুনতেন ও তদন্তে সক্রিয় ভূমিকা নিতেন তাহলে আজ তাঁকে অন্তত জেরার মুখোমুখি হতে হত না।’

যদিও তদন্তে যে তিনি সন্তুষ্ট, একথা বলতে চাইছেন না কুণাল। তিনি মনে করেন, প্রভাবশালীদের হাত অনেক লম্বা। তাই তদন্ত যে কোনও সময় ফের ঘুমিয়ে পড়তে পারে। আর প্রভাবশালী বলতে তিনি শুধুই মন্ত্রীদের কথা বলছেন না। পুলিশ অফিসার, আমলা ও শিল্পপতিদের কথাও বলছেন তিনি। একইসঙ্গে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধেও তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা অনেক দেরি করে ফেলেছে।

গত দু’দিন শিলং-এ সিবিআই দফতরে কুণাল ঘোষের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা হয়েছে রাজীব কুমারকে। মঙ্গলবার চতুর্থ দিনেও রাজীব কুমারকে জেরা করা হচ্ছে। কিন্তু জেরা শেষ করে কলকাতায় ফিরেছেন কুণাল ঘোষ। বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

এদিন তিনি জানান, জেরার সময় যেসব পুলিশ অফিসারদের নাম উঠে আসছে, তাঁদেরকে জেরা থেকে বেরিয়ে ফোন করছেন রাজীব কুমার। আর তাতেই তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।

কুণাল জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি ও ১১ ফেব্রুয়ারি জেরার সময়েই বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসারের নাম উঠে আসে। তাঁদের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদও করে সিবিআই। আর সেই জেরা থেকে বেরিয়ে ওইসব পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন রাজীব কুমার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।