শাংহাই: রাফা-রজার যুদ্ধে জয়ী ফেডেরার৷ শাংহাই মাস্টার্স ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে স্ট্রেট সেটে (৬-৪,৬-৩) উড়িয়ে দেয় কেরিয়ারে ৯৪ তম খেতাব জিতলেন রজার ফেডেরার৷ মরশুমে দু’টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের পাশাপাশি এটিপি খেতাব জিতলেন সুইস তারকা৷

আরও পড়ুন: হার্দিককে ভবিষ্যতের কপিল বলছেন চ্যাপেল

এই জয়ের ফলে নাদালের বিরুদ্ধে ১৫ বার জয় পেলেন ফেডেরার৷ আর চলতি মরশুমে রাফাকে চারবারই টক্কর দিয়েছেন রজার৷ চার বারের সাক্ষাতে প্রতিবারই শেষ হাসি হেসেছেন ফেডএক্স৷ বিশ্বের এক নম্বর নাদালকে এদিন দাঁড়াতেই দেননি ১৯টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক ফেডেরার৷ মাত্র এক ঘণ্টা ১২ মিনিটের লড়াইয়ে ম্যাচ ও খেতাব পকেটে পুরে নেন ৩৬ বছরের সুইস তারকা৷ সেই সঙ্গে টানা ১৬টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও থেমে গেল নাদালের৷

চলতি মরশুমের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে নাদালকে হারিয়ে খেতাব জিতেছিলেন ফেডেরার৷ তার পর মায়ামি মাস্টার্সসের ফাইনালেও রজারের ব়্যাকেট বধ হয় রাফা৷ তার পর ইন্ডিয়ান ওয়েলস টুর্নামেন্টের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালেও রাফাকে হারায় রজার৷

আরও পড়ুন: সাম্বা ছন্দের জাদুতে মাতল যুব বিশ্বকাপ

ফেডেরারই পারেন বছর শেষে নাদালকে বিশ্বের এক নম্বরের সিংহাসনচ্যুত করতে৷ যদিও নাদালের থেকে এখনও ১৯৪০ পয়েন্টে পিছিয়ে ফেডেরার৷ তবে বাসেল ও প্যারিসে জিতে ব্যবধান আরও কমিয়ে আনতে পারেন ফেডেরার৷

রাফা’কে হারিয়ে রজার বলেন, ‘ক্লে কোর্টে খুব বেশি খেলিনি৷ এটা আমাকে সাহায্য করেছে৷ বড় ব়্যাকেট নিয়ে খেলতে কোনও অসুবিধা হয়নি৷’ যদিও নাদালকে এখনই টপকে এক নম্বর যাওয়া নিয়ে ভাবছেন না রজার৷ ফেডেরার বলেন, ‘আমি এটা নিয়ে এখনই ভাবছি না৷ আমার প্রথম লক্ষ্য নিজেকে ফিট রাখা৷ সোমবারই দেশে ফিরব৷ তার পর সিদ্ধান্ত নেব, আমি বাসেল ও প্যারিসে খেলব কিনা৷ খেললে হয়তো ওর কাছাকাছি পৌঁছতে পারব৷ গত বছর আমি চোটের জন্য আমি এখানে খেলতে পারিনি৷ সেখানে এবার খেতাব জিতে ভালো লাগছে৷ আরও ভালো লাগছে, কারণ এই স্টেডিয়ামটা কয়েক বছর আগে আমি উদ্বোধন করেছিলাম৷’

আরও পড়ুন: মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানে উজ্জ্বল যুবভারতী, লজ্জিত দিল্লি

খেতাব জয়ে ফেডেরারকে অভিনন্দন জানিয়ে নাদাল বলেন, ‘সারা বছর ধরে দারুণ খেলে যাওয়ার জন্য রজারকে অভিনন্দন৷ আজ ও দারুণ খেলেছে৷ চিনে এই বছরটা ও দারুণ সফলতা পেয়েছে৷’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ফেডেরারের হাতে ফুলের স্তবক, ট্রফি এবং রোলেক্সের ঘড়ি তুলে দেন উদ্যক্তরা৷ এ নিয়ে ২৭টি মাস্টার্স ১০০০ টাইটেল জিতলেন ফেডেরার৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।