পানাজি: দেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিযান শেষ হল এফসি গোয়ার। দেশে ভয়ঙ্কর কোভিড পরিস্থিতির কারণে বৃহস্পতিবার ম্যাচের আগে স্কোয়াডের সকল বিদেশিকে ছেড়ে দিয়েছিল এফসি গোয়া ম্যানেজমেন্ট। সুতরাং, অল-ইন্ডিয়ান স্কোয়াড নিয়েই এদিন আমিরশাহির আল ওয়াহদা ক্লাবের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল গৌররা। কিন্তু ০-২ গোলে সেই ম্যাচে হারতে হল জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেদের।

এই হারের পর ৬ ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-‘ই’তে তৃতীয়স্থানে থামল এফসি গোয়া। আমিরশাহীর এই ক্লাবের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠে ছেড়েছিল গৌররা। এছাড়া গোয়ার বাকি দু’টি পয়েন্ট এসেছে কাতারের আল রায়ানের বিরুদ্ধে জোড়া ড্র থেকে। এদিন ১১জন ভারতীয় ফুটবলারের কাছে নিজেদের প্রমাণ করার বড় মঞ্চ ছিল। কিন্তু গত তিনটি ম্যাচে টানা জয় পেয়ে আসা আল ওয়াহদা মাঠে গোয়ার অল-ইন্ডিয়ান স্কোয়াডের তুলনায় অনেক শক্তিশালী হিসেবে প্রতিপন্ন হয়।

তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা ধীরজের দস্তানা আর স্ট্রাইকারদের সুযোগ নষ্টের কারণে প্রথমার্ধে গোলদুর্গ অক্ষত থাকে এফসি গোয়ার। প্রথমার্ধে সেটপিসের সুযোগ নিয়ে একটি সুযোগ এসেছিল গোয়ার কাছে। কিন্তু ওয়াহদা দুর্গের শেষ প্রহরী গ্ল্যান মার্টিন্সের সেই সুযোগ রুখে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে একটি ক্ষেত্রে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে খলিল ইব্রাহিম এবং আরেকটি ক্ষেত্রে ওয়ান টু ওয়ান পরিস্থিতি থেকে ওমর খ্রিবিনের প্রচেষ্টা রক্ষা পায় ধীরজের দস্তানায়। তবে ৬১ মিনিটে ধীরজকে শেষমেষ পরাস্ত করে ওয়াহদাকে এগিয়ে দেন খ্রিবিনই।

নির্ধারিত সময়ের একেবারে অন্তিম মিনিটে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেয় আমিরশাহির ক্লাবটি। অধিনায়ক মহম্মদ আলমেনহালির শট ডিফেন্ডার আদিল খানের পায়ে লেগে ঢুকে যায় গোলে। ধীরজের বিশ্বমানের গোলকিপিং সত্ত্বেও দ্বিতীয়বারের জন্য পরাস্ত হয় গোয়া রক্ষণ। এই জয়ের ফলে ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে উন্নীত হল আল ওয়াহদা। ৬ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের রাউন্ডে গেল ইরানের ক্লাব পার্সেপোলিস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.