সাউদাম্পটন: ২০০৯ সালের নভেম্বরে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন৷ অর্থাৎ ১১ বছর পর টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন ঘটল ফাওয়াদ আলমের৷ বৃহস্পতিবার সাউদাম্পটনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তান দলে জায়গা পেলেন৷ এক দশকের বেশি সময় পর টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন করলেন ৩৪ বছর বয়সি বাঁ-হাতি পাক ব্যাটসম্যান৷

সাউদাম্পটন টেস্টে শাদাব খানের জায়গায় আলমকে খেলোনোর সিদ্ধান্ত নেয় পাক টিম ম্যানেজমেন্ট৷ এটি তাঁর কেরিয়ারের চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। স্টাইলিশ বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানকে এর জন্য কমপক্ষে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে৷ দু’টি টেস্ট খেলার মাঝে ১০ বছরের ব্যবধানে আলম হলেন বিশ্বের ২৫তম এবং পাকিস্তানের দ্বিতীয় ক্রিকেটার৷ আলমের আগে এই নজির রয়েছে ইউনিস আহমেদের৷ তাঁর অপেক্ষা অবশ্য আরও দীর্ঘ৷ তাঁর দু’টি টেস্ট খেলার ব্যবধান ১৭ বছরের৷

২০০৯ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যাটিং গড় আলমের৷ এমনটাই টুইট করে জানিয়েছেন রিচার্ড ভি আইজ্যাকস৷ টুইটারে তিনি লেখেন, Highest batting average in first-class cricket since December 2009 – when Fawad Alam last played Tests for Pakistan.

জনপ্রিয় প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটার তারিক আলমের ছেলে ফাওয়াদ৷ মাত্র ১৭ বছর বয়সে ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ছিলেন৷ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া এই ক্রিকেটারকে তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের মাঝে ১১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে৷

আলম প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে গত বছর ফের খবরের শিরোনামে আসেন৷ দক্ষিণ পঞ্জাবের বিপক্ষে সিন্ধের হয়ে কায়েদ-এ-আজম ট্রফিতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন৷ কিন্তু নভেম্বর-ডিসেম্বরে ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কোচ মিসবা-উল হকের পছন্দ না-হওয়ায় উপেক্ষিত হন৷

১১ বছর আলমের টেস্টে প্রত্যাবর্তন নিয়ে ফ্রেডি উইল্ড একটি মজাদার টুইট করেছেন৷ যাতে তিনি লিখেছেন, আলম শেষবার পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট খেলেছিলেন (নভেম্বর ২০০৯) যখন গর্ডন ব্রাউন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন৷ যখন ইতালিতে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল৷ যখন নোভাক জোকোভিচের কেবল একটি গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব ছিল এবং লুইস হ্যামিল্টনের মাত্র একটি এফ ওয়ান খেতাব ছিল।

কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে আলমের পাশাপাশি খেলছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ৷ যেখানে দু’জনই পঞ্চম উইকেটে ২৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন৷ সরফরাজ বলেন, নির্বাচকরা উপেক্ষা করেও আলম তাঁর কাছে কখনও অভিযোগ করেননি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও