নয়াদিল্লি: গালওয়ান সীমান্তে ভারত চিন সংঘর্ষের পরেই চিনের বিরুদ্ধে কার্যত ডিজিটাল হামলা চালিয়েছিল ভারত। ব্যান করা হয়েছিল একাধিক অ্যাপকে। বাদ যায়নি জনপ্রিয় পাবজিও। আর তার পর থেকেই ওইসব চিনা অ্যাপের বিকল্প হিসেবে সামনে এসেছিল একাধিক বিকল্প দেশীয় অ্যাপ। তবে প্রশ্ন উঠেছিল পাবজি নিয়ে। কারণ ভারতের বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল এই গেম । তার পরেই জানা গিয়েছিল পাবজির বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে ফৌজি। এবার নতুন বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে এল এই গেম।

জানা গিয়েছে ভারতের ncore নামক এক সংস্থা রয়েছে এই গেম তৈরি করার পিছনে। আজ লঞ্চ হবে ফৌজি। বিগত এক বছর ধরে এই গেম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে তীব্র আকর্ষণ। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এই গেম লঞ্চের ব্যাপারে জানানো হলেও তাঁর বাইরে কোন বিষয় জানানো হয়নি। আর সেই কারণেই আরও আকর্ষণ বেড়েছিল এই গেম নিয়ে। তাঁর সঙ্গে গেম সংক্রান্ত কিছু টিজার এবং পোস্টার সামনে আসার পরে সাধারণের মধ্যে আরও আকর্ষণের বিষয় হয়েছিল এই গেম।

এমনিতেও কিশোরদের কাছে যথেষ্ট জনপ্রিয় একটি বিষয় গেম। আর সেই কারণেই একাধিক কোম্পানির তরফে আনা হয়েছিল বিভিন্ন গেম। কিন্তু পাবজি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে এই গেম বিভিন্ন বয়সী লোকেরা খেলতেন। তাই ব্যান হওয়াতে হতাশ হয়েছিলেন অনেকেই। তবে এই গেম নিয়ে বেশ কিছু তথ্য সামনে আসাতে সাধারণ কৌতূহল মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি মূলত অ্যাকশনধর্মী একটি গেম। আর এই গেমের সঙ্গে যে অভিনেতা অক্ষয় কুমার জড়িত রয়েছে তায় জানা গিয়েছিল আগেই। আর সেটাই ছিল আকর্ষণের অন্যতম কারণ। তিনি এও জানিয়েছিলেন এই গেম থেকে প্রাপ্ত অর্থের ২০ শতাংশ যাবে ‘ভারত কে বীর’ নামক ট্রাস্টে। পাশপাশি এই গেম মারফত মানুষজন ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এই গেমের প্রথমিক ভিত্তি থাকবে গালওয়ান সীমান্তে হওয়া সংঘর্ষ। তবে আগেই এই গেম লঞ্চ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে ২৬ জানুয়ারি লঞ্চ করা হবে এই গেম। জানা গিয়েছে ব্যবহারকারীরা এই গেম প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন সাধারণ মানুষজন। অর্থাৎ নতুন বছরে গেম প্রেমীদের জন্য আসতে চলেছে আরও এক খুশির খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।