পুনে: হায়দরাবাদ, উন্নাও কাণ্ডের পরে মনে করা হয়েছিল হুঁশ ফিরবে প্রশাসনের। সকলেই মনে করেছিলেন, নারী নিরাপত্তার ওপরে ওঠা প্রশ্নের উত্তরগুলি দেওয়ার চেষ্টা করবে প্রশাসন। কিন্তু পরস্থিতি যে তিমিরে সেখানেই আছে। তা আবারও প্রমাণিত হল। সৎ বাবার লালসার শিকার ১৫ বছরের নাবালিকা। ধর্ষণ করে খুন করার অপরাধে পলাতক সৎ বাবাকে খুঁজছে মহারাষ্ট্রের পুলিশ অফিসারেরা। ওই নাবালিকার দেহ পুনের পিম্প্রি ছিনওয়ারের কাছে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে পুলিশের তরফে।

নির্যাতিতা নাবালিকার মায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সঙ্গে নাবালিকার সৎ বাবার কিছু বিষয় নিয়ে বচসা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, নাবালিকার সৎ বাবা নাবালিকা সহ স্ত্রীকে রীতিমত হুমকি দিয়েছিলেন। যে কারণে ওই মহিলা তাঁর স্বামীকে মেয়ের থেকে দূরে থাকতে বলেছিলেন।

বিকেলবেলা ফিরে এসে ওই মহিলার বোন দেখেন ঘরের দরজা বন্ধ করা। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন ১৫ বছর বয়সী ওই নাবালিকার নিথর দেহ পরে রয়েছে ঘরের ভেতরে। এমনটাই জানিয়েছেন ভোসারি পুলিশ স্টেশনের এক আধিকারিক।

ওই নাবালিকার মায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এমনটাই জানা গিয়েছে। এছাড়াও পোস্ট মোর্টেম রিপোর্টে জানা গিয়েছে ওই তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে এছাড়াও ওই নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের বিষয়টিও জানা গিয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্ত পিতার খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পক্সো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

এর আগে উন্নাও এবং হায়দরাবাদ কাণ্ডের পরে নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। নারী নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিদ্বজ্জন থেকে সাধারণ মানুষ। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কেন নারীদের এভাবে লালসার শিকার হতে হবে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অনেক ব্যাক্তিরাই। পরিস্থিতি যে খুব একটা বদলায় নি তা এই ঘটনার পরে বোঝা গিয়েছে।