হায়দরাবাদ: মেয়েকে গর্বের স্যালুট বাবার। মেয়ে ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট অফ পুলিশ (ডিএসপি)। আর বাবা একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর। অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুরে সম্প্রতি পুলিশেরই একটি অনুষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় দেখা হয়ে যায় বাবা-মেয়ের।

মেয়ের সঙ্গে মুখোমুখি হতেই গর্বের-আনন্দের স্যালুট বাবার। মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি অত্যন্ত নজরকাড়া এই ছবি। মহূর্তে সেই ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর জেলার ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট ইয়েন্দুলুরু জেসি প্রশান্তি। তাঁর বাবা ওয়াই শ্যামসুন্দর ওই বিভাগেরই একজন ইন্সপেক্টর। নিজে পুলিশ বিভাগে থাকার সুবাদে ছোট থেকেই বাড়িতে কম-বেশি আলোচনা চলত বাবা-মেয়ের।

ছোট থেকেই পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন জেসি প্রশান্তি। আদরের মেয়ের সেই ইচ্ছাকে বরাবর সমর্থন জানিয়ে এসেছেন বাবা। একদিন সেই মেয়েই যে তাঁরই এলাকায় পুলিশের সর্বোময় কর্তা হয়ে আসবেন তা ভাবেননি বাবা ওয়াই শ্যামসুন্দর।

অবশেষে বাবার ভাগ্যে এল সেই গর্বের মুহূর্ত। সম্প্রতি পুলিশ বিভাগের একটি অনুষ্ঠানে ডিউটি পড়েছিল ডিএসপি মেয়ে ও ইন্সপেক্টর বাবার। কাজের সুবাদেই হঠাৎ মুখোমুখি বাবা-মেয়ে। ডিএসপি-র পোশাকে সামনে মেয়েকে দেখে গর্বে দাঁড়িয়ে পড়েন বাবা।

মেয়েকে জানালেন গর্বের স্যালুট। হাসিমুখে তখন বাক্যহারা মেয়ে। দু’জনেই বেশ খানিকক্ষণ একে অপরের দিকে চেয়ে রইলেন। পাশে দাঁড়ানো অন্য পুলিশকর্মী ও প্রশাসনিক কর্তারাও সেই দৃশ্য উপভোগ করলেন।

নজরকাড়া এই দৃশ্য মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হল। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়াতেও। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভুলে দায়িত্বে পালনে আন্তরিক বাবা-মেয়ের এমন অসাধারণ সেই মুহূর্ত নিয়ে দিনভর চলল আলোচনা। পরে গর্বিত বাবা বললেন, ‘‘ও আমার মেয়ে। কর্মস্থলে ও আমার সিনিয়র। তাই ওঁকে স্যালুট জানালাম।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।