ম্যাঞ্চেস্টার: ম্যাচ রেফারির আসনে বসেছিলেন বাবা ক্রিস ব্রড। বিষয়টা বোধহয় বেমালুম ভুলে গিয়েছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ইয়াসির শাহকে আউট করে কটূক্তি করে বসেন তিনি। ফলস্বরূপ শাস্তির গুরুত্ব বিচার করে ছেলে স্টুয়ার্ট ব্রডের ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ জরিমানার পাশপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্ট কেটে নিলেন ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড।

উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের চতুর্থদিন ব্যাট হাতে বিপক্ষের মাথাব্যথার কারন হয়ে উঠেছিলেন পাক লেগ-স্পিনার ইয়াসির। ২৪ বলে ৩৪ রান করে অবশেষে ব্রডের শিকার হন তিনি। ৫টি চার ও একটি ছয়ে সাজানো শাহের ইনিংস পাক শিবিরে যথেষ্ট মূল্যবান হিসেবে প্রতিপন্ন হয়। স্বাভাবিকভাবেই পাক ব্যাটসম্যানকে আউট করে উত্তেজনার বশে তাঁর প্রতি কটূক্তি ছুঁড়ে দেন ব্রড। সদ্য টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ উইকেটের ক্লাবে নাম লেখানো ইংরেজ পেসারের সেই অপরাধ নজর এড়ায়নি দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড কেটেলবোরো এবং রিচার্ড ইলিংওর্থের।

দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার, থার্ড আম্পায়ার মাইকেল গফ এবং ফোর্থ অফিসিয়াল স্টিভ ও’শনেসি আইসিসি’র ২.৫ ধারায় অভিযুক্ত করেন ব্রডকে। গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবেচনা করে দ্বিধাহীন হয়ে ছেলেকে শাস্তির নিদান দেন সিনিয়র ব্রড। গত ২৪ মাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার শাস্তির কবলে পড়লেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তাঁর ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা বেড়ে হল তিন। আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ব্রড আইসিসি’র কোড অফ কন্ডাক্টের ২.৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। যেখানে খারাপ শব্দপ্রয়োগ, আন্তর্জাতিক ম্যাচে কোন ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পর আগ্রাসী আচরণে তাঁকে উত্যক্ত করা ইত্যাদি বিষয়গুলি লঙ্ঘিত হয়েছে।’

বাবার কাছে শাস্তি পাওয়ার পর মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মজার একটি মন্তব্য করেছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি সিনিয়র ব্রডকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘হি ইজ অফ দ্য ক্রিসমাস কার্ড অ্যান্ড প্রেজেন্ট লিস্ট।’ অর্থাৎ তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আগামী ক্রিসমাসে বাবাকে ক্রিসমাস কার্ড এবং কোন উপহার দেবেন না বলেই জানিয়েছেন সদ্য টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ উইকেটের মাইলস্টোন গড়া ব্রড। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টিকে মজার মজার মন্তব্য ছুঁড়ে দিয়েছেন অনুরাগীরাও। উল্লেখ্য, প্রথম টেস্টে ৩ উইকেট জয়ের পর বৃহস্পতিবার থেকে সাউদাম্পটনে দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও