গোরক্ষপুর: আরও এক বিকৃত মস্তিষ্কের নজির। দু’বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগে পুলিশের জালে বাবা। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায় অভিযুক্তের বড় মেয়ে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৫ সালে বড় মেয়ের বিয়ের পর থেকে অভিযুক্ত বাবা তার ছোট মেয়ের সাথে থাকতেন। শেষ দুই বছরে তিনি তার ছোট মেয়েকে বহুবার ধর্ষণ করেছেন। জুলাই মাসের ২৬ তারিখ রাতে মাথা থেকে গলা কেটে ১৯ বছরের ছোট মেয়েকে খুন করেছেন এই ব্যাক্তি। ১৫ বছর আগে তার স্ত্রী মারা গিয়েছেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, তাকে জেরা করে উরওয়া থেকে ওই তরুণীর কাটা মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি মাটি নীচে চাপা দেওয়া ছিল। ধড়টি বিকৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে নুল্লাহর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে।

অভিযুক্তের বড় মেয়ে তাঁর লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, “বোনকে গত দুই বছর থেকে একাধিকার বাবা ধর্ষণ করেছে। ২৬ জুলাইও বোনকে বাবা ধর্ষণ করতে গিয়েছিল। বাধা দেওয়াতেই নৃশংসভাবে গলা কেটে খুন করা হয়েছে। এফআইআর দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তকে খুঁজছিল পুলিশ। শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করেছে গোরক্ষপুর পুলিশ।

রাখির দিনে ছোট বোন তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা না করায়, দিদির সন্দেহ হয়। এরপর বাবাকে ফোন করে বোনের কথা জিজ্ঞাসা করলে বাবা বড় মেয়েকে বলে, সে ছোট মেয়েকে খুন করেছে।

এ বিষয়ে সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ সুনীল গুপ্তা জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে জেরা করার পর সে তার ছোট মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি এও জানিয়েছে, দুই বছর ধরে মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন তিনি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরই উরওয়া থেকে উনিশ বছরের ওই মেয়ের কাটা মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। মাথার অংশটি মাটি নীচে চাপা দেওয়া ছিল। দেহের বাকি অংশটি বিকৃত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে নুল্লাহর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে।