নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপে ভারতীয় বোলারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কিংবদন্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলার মাইকেল হোল্ডিং৷ এক সাক্ষাতে তিনি বলছেন,‘ ভারতীয় ফাস্ট বোলারদের দেখে আমি মুগ্ধ৷ বিশেষ করে বিশ্বকাপে মোহিত শর্মা ও মহম্মদ শামির বোলিং আমার দারুণ লাগছে৷ ভারতে পিচের চরিত্রও আগের থেকে অনেকটা বদলে গিয়েছে৷ আগের তুলনায় ভারতে এখন অনেক বেশি বাউন্সি পিচ তৈরি হচ্ছে৷ যেটা একজন ফাস্ট বোলারকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাবে৷ বোলারদের পাশাপাশি ব্যাটসম্যানরাও এই পিচে নিজেদেরকে ভালো তৈরি করতে পারবে৷ গত অক্টোবর আমি ভারতে গিয়েছিলাম ওখানকার স্পোর্টং বাউন্সি পিচ দেখে আমি চমকে গিয়েছিলাম৷ ১৯৮৩-তে কিন্তু এরকম পিচ ছিল না৷’

‘হুইসপারিং ডেথ’ বলেই সারা পৃথিবী হোল্ডিংকে চেনে৷ ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাস ছিলেন তিনি৷ হোল্ডিং মনে করছেন অতিরিক্ত ক্রিকেটই ফাস্ট বোলারদের মৃত্যু ডেকে আনছে৷ হোল্ডিং এ প্রসঙ্গে বললেন,‘ সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপে শেষ দশ ওভারে বোলাররা কোনও সুবিধাই করতে পারেনি৷ ছোট বাউন্ডারি আর ফিল্ডিংয়ের কড়াকড়ির জন্যই ব্যাটসম্যানরা এত সুবিধা পেয়েছে৷ এভাবে চললে আগামী দিনে বোলাররা তাদের ফিটনেস ও স্পিড-স্কিল ধরে রাখতে পারবে না৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।