মেয়েদের চুলের কাটে হরেক রকম স্টাইল করা হচ্ছে, কোনও একটি বিশেষ কাটকে এ বারের পুজোর ফ্যাশন, এমনটা বলা যাবে না। বিভিন্ন কাটের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে এক নতুন হেয়ার স্টাইল।

প্রথমেই লম্বা চুলের  মেয়েদের  কথা বলা যাক। জানিয়ে রাখি এবার পুজোয় তাঁদের লম্বা লেয়ারস- কাট মাস্ট। তবে অনেক মেয়েরাই পার্মিং করতে চাইছেন। পার্মিং সব সময় ইন-ফ্যাশন-এর মধ্যে থাকে, তবে তা বিভিন্ন আকারে। পুরো চুলটি পার্ম করার পর ঘাড়ের থেকে পেছন দিক পর্যন্ত স্ট্রেট করা হচ্ছে।

কালার: colour

চকলেট ব্রাউন, রেডিশ ব্রাউন- মেয়েদের পক্ষে এই দুটি কালারই সুন্দর এবং নির্ভয়ে যে কেউ করাতে পারেন।

হেয়ার স্টাইল

makeover

মিক্স অ্যান্ড ম্যাচই আসল কথা। কোনও একটি বিশেষ ধরনের কাট যে সবাইকে মানাবে তা কিন্তু ঠিক নয়, মুখের ধরন, বয়স, প্রতিটি বিষয় নির্ভর করে চুলের কাটিং-এর ওপর।

• স্ট্রেটনিং এখন ফ্যাশন বহির্ভূত। এখন কার্লি চুলের ঢেউ উঠছে, তবে স্ট্রেটনিং পুরোপুরি চলে যায়নি। অনেকেই হয়তো পেছনের চুল  স্ট্রেট করাচ্ছেন আর সামনের দিকটা সাধারণ থাকছে।
• যাদের চোয়াল সরু, তাদের ক্ষেত্রে সামনে বুশি কাট ভাল লাগবে। চুল কোঁকড়ানো হলে স্টেপ করা যেতে পারে বা শ্যাগ কাটও চলতে পারে।04hair2
• চওড়া চোয়াল থাকলে সামনে রেজার কাট, পেছন দিকটা কিছুটা স্ট্রেট বা ছোট করা যেতে পারে।
• এখন স্পাইরাল চুল খুবই ফ্যাশন-এর মধ্যে আছে। পুরো চুলটাকে স্পাইরাল করলে খুবই ভাল লাগবে বা ইচ্ছে হলে সামনের দিকে কোনও কাট এবং পেছন দিকটা স্পাইরাল একটা এলিগ্যান্স এনে দেয়।
• গোল মুখ সামনের ফ্রিঞ্জটিকে হাই করতে হবে এবং পেছন দিকে রেজার, ছোট করে ওয়েজ কাট বা মাশরুম যা খুশি ।

এ ছাড়া এ বার পুজোয় আপনি পোশাকের সঙ্গে রং মিলিয়ে চুলের সামনের ফ্রিঞ্জটি ইচ্ছে মতো লাগাতে পারেন। হেয়ার এক্সটেনশন করার সময় নেই, কিন্তু নিত্য নতুন বিভিন্ন রং যেমন লাল, বেগুনি,কমলা বা সবুজ রঙের একটি ফ্রিঞ্জ চুলের সামনে কপালের ওপর আটকে নিলেন। এতে চুলের কোনও ক্ষতি হল না। আবার ইচ্ছেপূরণও সম্ভব হল। সময় লাগে মাত্র কুড়ি মিনিট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.