ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: চলতি বছরের ৩১ তম আন্তর্জাতিক বিষ্ণুপুর মেলায় একের পর এক চমক হাজির করছেন মেলা কমিটি। এবারই প্রথম মেলা কমিটির সৌজন্যে ‘ফ্যাশন শো’র আয়োজিত হচ্ছে। বিষ্ণুপুরের নিজস্ব সংস্কৃতি, কুটির শিল্প, টেরাকোটা বা বালুচরি শিল্পকে তুলে ধরতে মেলার সূচনা সেই মেলায় এবার ‘ফ্যাশন শো’! অনেকের কাছে বিষয়টি বিস্ময়কর মনে হলেও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মেলবন্ধনে অভিনব এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বর্তমান প্রজন্মের একাংশ।

তাদের মতে, শহর কলকাতা থেকে অনেক দূরে গ্রাম প্রধান বাঁকুড়া জেলায় বসবাসকারী অনেকের মধ্যে এই বিষয়ে প্রতিভা থাকলেও প্ল্যাটফর্মের অভাবে সেই সব প্রতিভার বিকাশ হচ্ছেনা। আর নিজের এলাকায় এই ধরণের মঞ্চ পেলে সেই সব সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সম্ভব।

পড়ুন: শীতকালেও লাভজনক মাছ চাষ, অভিনব প্রশিক্ষণে নজির হলদিয়ায়

এই ফ্যাশন শো অংশ নিতে গেলে দিতে হবে অডিশন। চলতি মাসের ১৬ তারিখে শহরের পোড়ামাটির হাটে এই অডিশনে অংশ নিতে পারেন নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই। তবে তার আগে অবশ্যই আগ্রহীদের www.bishnupurtourism.com-এ নাম নথিভুক্ত করতে হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক হিসেবে কাজে যোগ দেওয়ার পর মানস মণ্ডল এই প্রথম আন্তর্জাতিক এই মেলা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন। মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরের পর্যটন শিল্পের বিকাশে একের এক যুগোপযোগী পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন। প্রায় সব ক্ষেত্রেই সফলতা এসেছে প্রায় একশো শতাংশ। এর পর মেলায় ফ্যাশন শোর আয়োজন অন্যমাত্রা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মহকুমাশাসক মানস মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, বিষ্ণুপুর মেলায় ফি বছর দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক আসেন। এখানকার হস্ত, বস্ত্র শিল্পকে তুলে ধরতেই এই ফ্যাশন শো-র আয়োজন করা হয়েছে। এই ফ্যাশন শো-য়ে সংশ্লিষ্ট জগতের প্রতিষ্ঠিতদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলেও তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ