শ্রীনগর: সন্ত্রাস এবং বিচ্ছিন্নতাবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ইয়াসিন মালিককে। এই গ্রেফতার আসলে ভারতের পরিপন্থী বলে দাবি করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা এনিসিপি দলের প্রধান ফারুক আবদুল্লা।

বুধবার এনআইএ গ্রেফতার করে তাকে৷ মঙ্গলবারই বিশেষ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়েছিল তাকে৷ আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত এনআইএ-র রিমান্ডে রাখা হবে ইয়াসিন মালিককে৷ ২০১৭সালে সন্ত্রাসবাদী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট প্রধানকে৷

আরও পড়ুন- রাজীব কুমারকে নিয়ে জল বেশি ঘোলা করলে খুন হতে পারি : বিস্ফোরক কুণাল

নির্বাচন বিধি লাঘু হয়ে গেলেও ইয়াসিন মালিকের গ্রেফতারের পিছনে কেন্দ্রের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ফারুক আবদুল্লা। এই গ্রেফতার আসলে মোদী সরকারের ষড়যন্ত্র বলেও দাবি করেছেন তিনি। এর ফলে জম্মু-কাশ্মীরের সার্বিক পরিস্থিতি খারাপ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইয়াসিন মালিকের গ্রেফতারের ঘটনায় তিনি অত্যন্ত হতাশ বলে দাবি করেছেন ফারুক আবদুল্লা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “ইয়াসিন মালিককে গ্রেফতার করে কিছুই হবে না। এই গ্রেফতারের ঘটনায় আমি খুব হতাশ।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “এদের(কাশ্মীরের স্থানীয় বাসিন্দা) বিরুদ্ধে জুলুম বাড়লে উপত্যকায় আগুন ছড়াবে।” ভিন্ন মতের মানুষ সমাজে থাকতেই পারে, কিন্তু মতের অমিল হলেই বন্দি করা ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন এনসিপি প্রধান। এটা দেশের সঠিক পন্থা নয় বলে দাবি করেছেন ফারুক। তাঁর কথায়, “এটা ভারতের রাস্তা নয়।”

২০১৭ সালে সন্ত্রাসবাদী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে এনআইএ একটি মামলা দায়ের করে বলে জানা যায়৷ গতমাসেই জেকেএলএফ-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র৷ ১৯৮৯সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুফতি মহম্মদ সইদের মেয়ে রুবাইয়া সইদকে গ্রেফতার, ১৯৯০সালে চার আইএএফ আধিকারিককে হত্যার পিছনে এই সংগঠনের হাত রয়েছে বলে জানা যায়৷