নয়াদিল্লি: কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর ভারতের জাতীয় কংগ্রেস সভাপতির মতো সম্মানীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা তথা জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা।

গত কয়েকদিন ধরে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর থাকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বুধবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, “বিলম্ব না করে খুব শীঘ্রই কংগ্রেস পার্টি নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করবে।” এই নতুন সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই তিনি থাকবেন না বলে জানিয়েছেন রাহুল।

এদিন রাহুল গান্ধী খুব স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান জানিয়েছিন। ট্যুইটারেও তাঁর কংগ্রেস সভাপতির পদাধিকারের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন। এই বিষয়ে ফারুক আবদুল্লা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে প্রথমেই রাহুলের উদ্দেশ্যে বলেন, “শুভেচ্ছা(মুবারক হো)। নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকার জন্য রাহুলকে আমার শুভেচ্ছা।”

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেই রাহুলের রাজনৈতিক জীবনের যাত্রাপথ শেষ হয়ে যাচ্ছে এমন ভাবার কিছু নেই বলে দাবি করেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান। ভবিষ্যতে ফের রাহুল সভাপতির পদে আসীন হতেই পারেন বলে দাবি করেছেন ফারুক। তাঁর কথায়, “রাহুলের বয়স এখন কম। ভবিষ্যতে আবার সভাপতি হতেই পারে রাহুল।”

একসময়ে কংগ্রেসের জোট করে কাশ্মীরে সরকার গঠন করেছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স। এদিন রাহুল গান্ধী সম্পর্কে প্রশংসা শোনা গিয়েছে ওই দলের প্রধান ফারুক আবদুল্লার গলায়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক জীবনে চলার জন্য কংগ্রেস নেতাকে পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, “রাহুল সবসময় চাইছিল যে তাঁর সভাপতির পদে অন্য কেউ বসুক। লোকসভা ভোটে ভরাডুবির জন্য এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে আমার মনে হয় না।”

দলের সভাপতির পদ ছেড়ে দিয়ে রাহুল গান্ধী অনুচিত কছু করেননি বলে মনে করছেন ফারুক আবদুল্লা। এই অবস্থায় কংগ্রেসের সদ্য প্রাক্তন সভাপতিকে তাঁর পরামর্শ, “আমার মনে হয় এই মুহূর্তে সংগঠন মজবুত করার জন্য রাহুল গান্ধীর আরও পরিশ্রম করা উচিত।”

রাহুল গান্ধী সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন নির্বাচনে পরাস্ত হয়েছে কংগ্রেস। একের পর এক রাজ্য হাতছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের হাত থেকে। দেশ জুড়ে উত্থান হয়েছে বিজেপির। ক্রমেই তা গেরুয়া ঝড়ের আকার নিয়েছে। এই অবস্থায় গত বছরের তিন বিজেপি শাসিত রাজ্য দখল করেছে কংগ্রেস। এক বছর আগে দক্ষীণের রাজ্য কর্ণাটকেও জেডিএস দলের সঙ্গে জোট গঠন করে সরকার গড়েছে কংগ্রেস।

কিন্তু সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে পাস করতে পারেননি রাহুল গান্ধী। দীর্ঘ দিনের গড় আমেঠি কেন্দ্রটিও হাতছাড়া হয়েছে কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারের। উলটে আগের থেকেই বেশি আসন নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গড়েছে বিজেপি। এরপরেই কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।