শ্রীনগর: পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ জানালেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা তথা জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লা। তাঁর মতে, ‘যুদ্ধ সমাধান নয়। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মেটানো উচিত ভারতের।’

লাদাখে চিনা আগ্রাসন প্রাণ কেড়ে ২০ ভারতীয় সেনার। লালফৌজের অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে আহতও হয়েছেন বহু জওয়ান। সীমান্ত সঙ্গে চুক্তি লঙ্ঘন করে লাদাখে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে চিনা সেনা।

লালফৌজকে সরাতে গেলে অতর্কিতে ভারতীয় সেনা-জওয়ানদের ওপর হামলা চালায় চিনা সেনা। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। তবে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন ভারতীয় সেনার ২০ জওয়ান।

এদিকে, পাকিস্তানও তার স্বভাব জারি রেখেছে। জম্মু কাশ্মীর সীমান্তে লাগাতার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে পাক সেনা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। সেনার অভিযোগ, লাগাতার গোলাগুলি চালিয়ে আসলে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করতে সীমান্তে নজরদারিতে রয়েছেন বীর জওয়ানরা।

এই পরিস্থিতিতে পড়শি চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার বার্তা দিলেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কংগ্রেস সুপ্রিমো ফারুখ আবদুল্লা। ‘যুদ্ধ কোনও সমাধান নয়। পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মেটানো উচিত ভারতের।’

এদিকে, সত্যিটা ধীরে ধীরে সামনে আসছে। চিনের স্টেট মিডিয়ায় প্রকাশিত এক রিপোর্ট বলছে ১৫ জুন লাদাখে প্রশিক্ষিত পর্বতারোহী ও মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের পাঠিয়েছিল চিন। তারাই উস্কানিমূলক আচরণ করে সংঘর্ষ শুরু করে। ভারত হারায় ২০ জন বীর সেনা-জওয়ানকে।

চিনের স্টেট মিডিয়া জানাচ্ছে গত ৫০ বছরে এই ধরনের ভয়াবহ সংঘাত ভারত ও চিনের মধ্যে হয়নি। ১৫ জুন ওই সংঘাত হওয়ার আগে থেকেই ওখানে মোতায়েন করা হয়েছিল মার্শাল আর্ট ফাইটারদের। গালওয়ান উপত্যকায় সেদিন ছিল চিনা প্রশিক্ষিত পর্বতারোহীরাও।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।