শ্রীনগর: সাত মাস বাদে মুক্তি পেলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লা। মুক্তি পাওয়ার পরই পরিবারের সঙ্গে তাঁর ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে সেই ছবি প্রকাশ পেয়েছে।

এদিন তিনি বলেন, ‘দেশের যেসব মানুষ আমাদের মুক্তির জন্য কথা বলেছেন, তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তবে মুক্তি তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন সব নেতাদের মুক্তি দেওয়া হবে।’

এদিন তিনি বারবার একটাই কথা বলেন, ‘I am free, I am free.

ইতিমধ্যে মায়ের মুক্তি চেয়ে বারবার সরব হন মেহেবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি৷ আটক করহা হয় তাঁকেও৷ ওমর আবদুল্লাহর একটি ছবি সামনে এলে, তা ভাইরাল হয়ে যায়৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী টুইটারে লেখেন, আবদুল্লাহ কে চেনাই যাচ্ছে না৷ জননিরাপত্তা আইনে কেন ওমর বন্দি তাই নিয়ে জম্মু কাশ্মীর প্রশাসনের কাছে জবাবও চায় সুপ্রিম কোর্ট৷

প্রসঙ্গত জনসুপরক্ষা আইনে যে কাউকেই বিনা বিচারে তিন মাস বন্দি রাখা যায়৷ ওমর আবদুল্লাহ সেই বন্দিত্ব থেকেই মুক্তি পেতে চলেছেন৷ বাকিদের ভাগ্যের শিঁকে কবে ছিঁড়বে এখনও জানা যায়নি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।