গুড়গাঁও (হরিয়ানা): জনসমুদ্রে অসহায় সরকার। প্রায় ১২ লক্ষ কৃষক কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি ঘেরাও করেছেন। বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভা (এআইকেএস) সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বে গত ৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ রাজধানী। পরিস্থিতি ঘোরতর বুঝে কোনও শর্ত ছাড়াই আন্দোলনকারী সংগঠনগুলির নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে তৈরি হয়েছে এনডিএ সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রস্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। অন্যদিকে বারাণসী থেকে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী বার্তা দেন, কৃষি আইনে কৃষকদের ক্ষতি হবে না। তাঁর বার্তা উড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষোভকারী কৃষকরা।

বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ সরকারের কৃষি আইন কৃষকদের জন্য সর্বনাশ। এমনই দাবি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের। তাদের আরও অভিযোগ, আইসে করে বেসরকারি সংস্থার কাছে দেশের কৃষি ক্ষেত্রকে বিকিয়ে দিয়েছে সরকার। এই আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি ঘেরাও করেছেন লক্ষ লক্ষ কৃষক। মুলত পশ্চিম ও উত্তর ভারতের বিরাট কৃষি এলাকা এই বিক্ষোভে সামিল। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ থেকে ইতিমধ্যেই ১২ লক্ষ কৃষক মিছিল করে দিল্লি অবরোধে যাচ্ছেন।

এখনও দিল্লিতে সেই বিক্ষোভ ঢোকেনি। তার আগেই দিল্লির সঙ্গে হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। খাদ্য সংকট শুরু হতে চলেছে রাজধানীতে। এতেই দিল্লির বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন।দাম চড়ছে হু হু করে। অন্যদিকে আন্দোলনকারী কৃষকদের জন্য হরিয়ানার কৃষকরা লরি লরি ফুলকপি, মুলো সহ সবজি পাঠাচ্ছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি সরকার আইন বাতিল না করলে আগামী ৬ মাস দিল্লি ঘেরাও করা হবে।

দিল্লির দিকে হাজার হাজার কৃষকের যাত্রা, মোদী সরকার বিড়ম্বনায়। বিক্ষোভ মিছিল চলছে তা আড়ে বহরে এখন জনসমুদ্র। কোনও রাজ্যের সীমানায় তাঁদের আটকে রাখা সম্ভব নয়। যদিও হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ সরকার প্রাথমিকভাবে বিরাট পুলিশি ব্যারিকেড তৈরি করেছিল। সেই বাধা উড়িয়েই বিরাট কৃষক বিক্ষোভ যাত্রা চলেছে। এর পরেই বিজেপি শাসিত দুই রাজ্য সরকার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার জানিয়েছেন, এই কৃষক বিক্ষোভ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চলছে।

বিরোধী কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন বাম দল ও একাধিক বিরোধী দল কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। এই আন্দোলনে সামিল এনডিএ জোট ত্যাগ করা শিরোমনি আকালি দল। তারাও সরকারের কৃষি নীতির প্রবল বিরোধিতা করে জোট ছাড়ে।

কেন্দ্রের নতুন কৃষি নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে মিছিলের সমর্থনে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও চলছে কৃষক বিক্ষোভ। বাম কৃষক সংগঠনের পাশাপাশি এতে সামিলার এআইকেএসসিসি, আরকেএমএস, বিকেইউ (রাজেওয়াল), বিকেইউ (চাদুনি) সহ অন্যান্য কৃষক সংগঠন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।