ফাইল চিত্র

নাসিক: সারা ভারত কিষাণ সভার ডাকে শনিবার নেতাজি সুভাষচন্দ্রের জন্মদিনে নাসিক থেকে মুম্বই কৃষকদের মিছিল শুরু হবে । এই মিছিলে প্রায় ২০,০০০ কৃষক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে । শনিবার দুপুরে নাসিকের গলফ ক্লাব ময়দান থেকে বিভিন্ন গাড়িতে করে এই মিছিল শুরু হবে।তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি সীমান্তে প্রায় দুই মাস ধরে কৃষকদের আন্দোলন চলছে। কৃষকদের ওই আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে এই মিছিলেন আয়োজন করা হয়েছে । সারা ভারত কৃষকসভার সঙ্গে সিআইটিইউ,এআইএডব্লিউএ, ডিওয়াইএফআই,এসএফআই শ্রমিক ক্ষেত মজুর,মহিলা যুব এবং ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ করবে এই মিছিলে আসার জন্য।

এদিন নাসিক থেকে বেরোন পর ঘাটানদেবীতে রাতে থামবে ওই মিছিল।সেখানে রাত কাটিয়ে ফের ২৪ জানুয়ারি সকাল নটায় ২০ হাজার কৃষক পাড়ি দেবে কারাঘাটের দিকে সেখান থেকে রওনা দেবে মুম্বইয়ের উদ্দেশ্যে।সংযুক্ত কৃষাণ মোর্চা দেশজুড়ে ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারি আন্দোলেনর আহ্বান জানিয়েছে। এরফলে বিভিন্ন রাজ্যে এই সময় মিছিল মিটিং হবে।মহারাষ্ট্রের শ্রমিক কৃষকদের বহু সংগঠন সংযুক্ত ক্ষেতকারি-কামগার মোর্চা গত ১২ জানুয়ারি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ২৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে বিশাল অবস্থান করবে। ২৪তারিখ সেখানে যোগ দেবে নাসিক থেকে আসা  কৃষাণসভার মিছিল।

এদিকে ২৫জানুয়ারি এই সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন সারা ভারত কিষাণসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। তাছাড়া ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখার কথা মহারাষ্ট্র সরকারের তিন শরিক দলের নেতৃবৃন্দ,বাম গণতান্ত্রিক দলের নেতাদেরও। তারপরে ওইদিন বেলা দুটোর পরে সেখান থেকে রওনা দেবে রাজভবনে। সেখানে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। পরের দিন সাধারণতন্ত্র দিবসে আজাদ ময়দানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পাশাপাশি সেখানে সকল কৃষক ও শ্রমিকদের এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।