নয়াদিল্লি: অবশেষে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু কেন্দ্রের। শর্ত ছাড়াই কৃষকদের একাধিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মঙ্গলবার দুপুরে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। গত কয়েকদিন ধরে চলা জটিলতার অবসান খুঁজতে মরিয়া কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে লক্ষ-লক্ষ কৃষক জমায়েত করেছেন। দাবি পূরণ না হলে দিল্লি অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি কৃষকদের। বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভা (এআইকেএস) সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বে গত ৫ দিন ধরে অবরুদ্ধ রাজধানী। পরিস্থিতি ঘোরতর বুঝে কোনও শর্ত ছাড়াই আন্দোলনকারী সংগঠনগুলির নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে রাজি হয় মোদী সরকার।

মূলত পশ্চিম ও উত্তর ভারতের বিরাট এলাকার কৃষকরা এই বিক্ষোভে সামিল। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ থেকে লক্ষ-লক্ষ কৃষক দিল্লিতে দরবার করেছেন। এদিকে, কৃষক বিক্ষোভ যত দানা বাঁধছে, ততই চাপ বাড়ছিল বিজেপির উপর। জোট-সঙ্গীরাও একে একে সুর চড়াতে শুরু করেছেন। আগেই কৃষি আইনের প্রতিবাদে অকালি দল এনডিএ শিবির ছেড়েছে।

পরিস্থিতি অনুযায়ী এনডিএ ছাড়ার হুমকি দিয়ে রেখেছেন রাজস্থানের সাংসদ তথা রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক দলের প্রধান হনুমান বেনিওয়ালও। তিনিও কেন্দ্রের কাছে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে পড়ে শেষমেশ শর্ত ছাড়াই কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে রাজি হয় কেন্দ্রীয় সরকার। মোদী-শাহদের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।