ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি:কেন্দ্রের কৃষি নীতির বিরোধিতা করে দিল্লি চলো ডাক দেওয়া কৃষকদের উপর চালানো হলো কাঁদানে গ্যাস, জলকামান। পাঞ্জাব হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশ উত্তরাখণ্ড রাজস্থান কেরল এই ছয় রাজ্যের কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে এই লংমার্চে যোগ দিয়েছেন বহু মানুষ।

কৃষকরা হুমকি দিয়েছেন নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাঁদের এই আন্দোলন চলবে। কারণ কৃষকদের আশঙ্কা নয়া আইনের ফলে তাঁরা লোকসানের মুখে পড়বে আর মুনাফা লুটবে রিটেইল সংস্থাগুলি।

এই পরিস্থিতিতে যেখানে কেন্দ্র ৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় আলোচনার বসার জন্য কৃষকদের ডেকেছে, তখনই আবার এদিন পাঞ্জাব থেকে আগত কৃষকদের মিছিলকে হরিয়ানায় ঢুকতে গেলে বাধা দিল বিজেপি সরকার। হরিয়ানায় ঢোকার আগে একটি ব্রিজে আটকানো হল কৃষকদের। তাদের আটকাতে হরিয়ানা পুলিস ব্রিজের উপর ট্রাককে দাঁড় করিয়ে রাখে। সেখানে ব্রিজ পার হতে গেলে কৃষকদের ওই ট্রাকটি সরাতেই হবে।

পাশাপাশি ওই ব্রিজের উপর সকাল থেকেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। এদিন কৃষকদের পদযাত্রা ব্রিজের উপর পৌঁছতেই পুলিস তাদের বাধা দেয়। অন্যদিকে কৃষকেরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। ফলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। তখন লোহার ব্যারিকেড তুলে নদীতে ফেলতে দেখা যায় কৃষকদের। অন্যদিকে, কৃষকদের উপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে, জল কামান চালায় পুলিস।

ওই এলাকা একেবারে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। প্রায় ২ ঘণ্টা সংঘর্ষের পর ব্যারিকেড হঠিয়ে সামনে এগোতে সক্ষম হয় কৃষকরা এবং হরিয়ানায় ঢোকে কৃষকদের মিছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।