নয়াদিল্লি: কৃষি আইন বাতিল করতেই হবে। এই দাবিতে অনড় অল ইন্ডিয়া কিসান সংঘর্ষ সমিতি। সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এবার ৮ ডিসেম্বর দেশ জোড়া বনধের ডাক দেওয়া হল। আন্দোলনরত লক্ষ লক্ষ কৃষকদের যৌথ মঞ্চ অল ইন্ডিয়া কিসান সংঘর্ষ সমিতির হুঁশিয়ারি এবার দিল্লি ঢোকার সব পথ অবরুদ্ধ করা হবে।

ইতিমধ্যেই হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে দিল্লির প্রবেশ পথ বন্ধ। বাকি পথগুলি বন্ধ করা হলে সড়কপথে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে রাজধানী।

দিল্লি ঘিরে যে ১২ লক্ষ কৃষক আন্দোলন করছেন তাদের সমর্থনে দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ। গোটা দেশেই এই কৃষি বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে।

আন্দোলনকারী কৃষকদের যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে আছে সিপিআইএমের শাখা সংগঠন সারা ভারত কৃষকসভা। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক তথা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন বাম সাংসদ হান্নান মোল্লার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, তিনি সরকারের আইনের বিরুদ্ধে উসকানি দিয়েছেন। নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়েরের পর হান্নান মোল্লা জানান, সরকার ভয় পেয়েছে। কোনও অবস্থায় এই কৃষক আন্দোলন থেকে বাকি সংগঠনগুলি সরবে না।

এদিকে হান্নান মোল্লার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দিল্লির কাছে অবস্থানরত লক্ষ লক্ষ কৃষক ক্ষোভে ফেটে পড়েন। গত এক সপ্তাহের বেশি প্রায় ১২ লক্ষ কৃষক দিল্লির উপকণ্ঠ অবরুদ্ধ করে রয়েছেন। কৃষক সংগঠনগুলির দাবি, সরকারের নতুন কৃষি আইন মারাত্মক বিপদ আনতে চলেছে। দেশের কৃষিজ ক্ষেত্রকে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিতে চাইছে বিজেপি তথা এনডিএ সরকার।

পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড থেকে আসা লক্ষ লক্ষ কৃষক এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। তাঁদের আটকে রাখতে গিয়ে হরিয়ানা সরকারে তৈরি হয়েছে সংকট। সরকারের জোট শরিক জেজেপি নেতা উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত চৌতালা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন। যে কোনও সময় রাজ্যে বিজেপি সরকারের পতন হতে পারে।

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের সঙ্গে কৃষক প্রতিনিধিদের বারবার বৈঠক ব্যর্থ হয়। এর পরেই আন্দোলনরত কৃষকরা সরকারকে ঘিরে রাখার হুমকি দেন।

সূত্রের খবর, আন্দোলনের রেশ আন্তর্জাতিক মহলে ছড়াতেই সরকারের উদ্বেগ বেড়েছে। কৃষি আইনটির সংশোধনী করতে রাজি হয়েছে মোদী সরকার। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, পুরো আইনটি বাতিল করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।