নয়াদিল্লি: বিক্ষোভরত কৃষকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে সরকার পক্ষও তাদের অবস্থানে অনড়। এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার এক কৃষক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা হীরাবেন মোদীকে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, যাতে তাঁর ছেলেকে তিনটি কৃষি আইন যা দেশজুড়ে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা বাতিল করার কথা বলেন মা হীরাবেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর মা’কে লেখা একটি চিঠিতে হরপ্রীত সিং নামে ওই কৃষক লেখেন, “আমি ভারী মন দিয়ে এই চিঠিটি লিখছি। আপনি জানেন যে অন্নদাতা, যারা জাতি এবং বিশ্বের মানুষকে খাওয়ায়, তারা তিনটি কালো আইনের কারণে এই শীতল শীতে দিল্লির রাস্তায় ঘুমাতে বাধ্য হয়। এর মধ্যে ৯০ থেকে ৯৫ বছর বয়সী ব্যক্তি, শিশু এবং মহিলারাও রয়েছেন। শীতের কারণে মানুষ অসুস্থ হচ্ছেন। তাঁরা শহিদ হচ্ছেন যা আমাদের সকলের জন্য উদ্বেগের কারণ।” বিনা অনুমতিতে প্রতিবাদ করার জন্য কয়েক দিন আগে সিমলায় বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কয়েক মাস আগে হরপ্রীত সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একদিন আটক থাকার পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

ওই কৃষক প্রায় ১০০ বছর বয়সী হীরাবেনকে ‘কান মুলে’ আইনটি বাতিল করতে পুত্রকে রাজি করার জন্য আবেদন করেছেন। তিনি লিখেছেন, “দিল্লির সীমান্তে এই আন্দোলনটি শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। আদানি, আম্বানি এবং অন্যান্য কর্পোরেট পরিবারের নির্দেশে সরকার যে তিনটি কালো আইন পাস করেছে, তার বিরুদ্ধে আই আন্দোলন। এই আইনগুলির কারণে কৃষকরা অসন্তুষ্ট এবং হতাশ। তারা তাদের সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেশের কৃষকরা এই আইনগুলিতে কোনও সংশোধনী চায় না। আইনগুলি বাতিল করতে চায়।”

গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে যারা নতুন আইনগুলির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে সেই হাজার হাজার কৃষকের মধ্যে হরপ্রীত সিং অন্যতম। আইন নিয়ে অচলাবস্থা কাটাতে ইতিমধ্যেই কৃষক ইউনিয়ন ও কেন্দ্রের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ফলাফল আসেনি। হরপ্রীত লিখেছেন, “আমি অনেক আশা নিয়ে এই চিঠি লিখছি। আপনার পুত্র নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে কৃষি আইন পাস করেছেন তা প্রত্যাহার করতে পারেন। আমার মনে হয়, একজন ব্যক্তি তার মা ছাড়া যে কাউকে অস্বীকার করতে পারে। কারণ আমাদের দেশে মা ঈশ্বর হিসাবে বিবেচিত হয়।

আপনার পুত্র, প্রধানমন্ত্রী মোদী আপনার কথা কখনই উড়িয়ে দেবেন না। আমি আশাবাদী যে আপনার পুত্র আপনার কথা শুনবে এবং এই কালো আইন বাতিল করবে। তা যদি হয় তবে সমগ্র দেশ আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে। একজন মা কান মুলে ছেলেকে আদেশ করতে পারেন। যদি এই তিনটি আইন বাতিল হয়ে যায়, তবে তা পুরো দেশের পক্ষে জয় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং কেউই এখানে পরাজিত হবে না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।