নয়াদিল্লি: দেড় বছরের জন্য তিনটি কৃষি বিল স্থগিত রাখতে রাজি ছিল কেন্দ্র। বুধবারই সেকথা জানান কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। কিন্তু সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ কৃষক ইউনিয়ন।

তাদের দাবি, বিলের সম্পূর্ণ অবলুপ্তি চাই।

বৃস্পতিবার সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার বৈঠক ছিল। আর সেই বৈঠকের সরকারের ওই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন কৃষকেরা। প্রথম থেকেই বিক্ষোভের দাবি একটাই, কৃষি বিল অবলুপ্ত করতে হবে। আর সেই দাবিই ধরে রাখছেন কৃষকেরা। এর বাইরে তাঁরা আর কিছু মানতে নারাজ।

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১৮ মাস কৃষি আইন স্থগিত রাখার যে প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে, তা খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।

একইসঙ্গে কৃষকেরা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা বাইরের দিকের রাস্তা ধরে ট্রাক্টর মার্চ করবেন প্রজাতন্ত্র দিবসে।

কৃষক নেতা যোগিন্দর এস উগ্রাহান বলেন, আইন তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সরকারের কোনও দাবিই মানা হবে না। তাঁদের আজও একটাই দাবি, কৃষি আইন সম্পূর্ণ তুলে নিতে হবে ও এমএসপি কার্যকর করতে হবে।

বুধবার কৃষক সংগঠনের সঙ্গে কেন্দ্রের তিন মন্ত্রীর বৈঠক ছিল। এই নিয়ে দশম বার ছিল কেন্দ্র-কৃষক বৈঠক। কিন্তু, তাতেও সেভাবে সমাধান সূত্র না বেরোনোয় ফের শুক্রবার বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে, এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একটি হলফনামা পেশ করতে চলেছে কেন্দ্র৷ যেখানে বলা হয়েছে, তিন কৃষি আইনের প্রভিশন, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি)-র মতো বিষয়গুলি সহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্যে একটি কমিটি গঠন করা হবে৷ এর জন্য এক থেকে দেড় বছর কৃষি আইন স্থগিত রাখা হবে৷

বুধবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বৈঠকের পর কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বলেন, ‘‘২২ জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্র ও কৃষক ইউনিয়নগুলির মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেই আমরা আশাবাদী৷’’

কৃষকদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সে বিষয়ে আজ বেলা ১১টায় সিঙ্ঘু সীমান্তে বৈঠক করবেন পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনের নেতারা৷ এই বৈঠক শেষ হওয়ার পর বেলা দুটো নাগাদ বৈঠকে বসবে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। সরকারের দেওয়া প্রস্তাবে সম্মতি জানানো হবে না কি প্রত্যাখ্যান করা হবে, সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে এই বৈঠকে৷ এর পর ২২ তারিখ কেন্দ্রের সঙ্গে একাদশতম বৈঠকে বসবে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতারা৷

প্রথম থেকেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে একরোখা কৃষকরা৷ অন্যদিকে সংশোধনে সম্মত হলেও, কৃষি আইন সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্র৷ গতকাল কেন্দ্রের প্রস্তাবের পর কিষাণ ইউনিয়নগুলি জানায়, বৃহস্পতিবার ৫০০টি কৃষক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে তাঁরা আলোচনায় বসবে৷

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইত বলেন, ‘‘আমরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করব৷ সমগ্র দেশের কৃষকরাই এই তিন আইন প্রত্যাহারের পক্ষে রয়েছে৷ ২২ জানুয়ারি ফের কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।