নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন কৃষকদের ট্র্যাকটর র‍্যালির যে দৃশ্য দিল্লি প্রত্যক্ষ করল তাতে একদিকে যেমন অস্বস্তিতে পুলিশ, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে আন্দোলন নিয়েও। এমনকি সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে কৃষকদের সংগঠনও।

রাষ্ট্রীয় কিষাণ মজদুর সংঘ কৃষক আন্দোলন থেকে আলাদা

কৃষক নেতা ভিএম সিং ঘোষণা করেছেন তাঁর সংগঠন কৃষকদের আন্দোলন থেকে পৃথক হচ্ছে। ভিএম সিংয়ের সংগঠনের নাম রাষ্ট্রীয় কিষাণ মজদুর ইউনিয়ন। এই সংগঠনটি আর আন্দোলনের অংশ হবে না। তিনি জানিয়েছেন, এভাবে আন্দোলন চলতে পারে না। আমরা এখানে মানুষকে শহিদ করতে বা মারধর করতে আসিনি। তিনি ভারতীয় কৃষক ইউনিয়নের রাকেশ টিকাইতকে অভিযুক্ত করেছেন।

কিষাণ মোর্চা সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা বিবৃতি দিয়ে দিল্লি সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে। কৃষকদের ধর্নাস্থলে থাকতে ও শান্তিপূর্ণ সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান করা হয়েছিল। পাশাপাশি যারা কৃষকদের আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে, তাঁদের উদ্দেশ্যে নিন্দাও করা হয়। সরকার এবং অন্য বাহিনী যাতে আন্দোলন ভাঙতে না পারে সেই শপথ নিয়েছে এই সংগঠন।

পদত্যাগ করলেন অভয় সিং চৌটালা

অন্যদিকে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদলের প্রধান মহাসচিব তথা এলেনাবাদ এর বিধায়ক অভয় সিং চৌটালা বুধবার বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি কৃষি আইনের বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেছেন।

উল্লেখ্য, প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্র্যাকটর মিছিল চলাকালীন দিল্লি জুড়ে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল, তাতে কৃষক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অনেকে একদিকে যেমন কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তেমনই বেশ কিছু মানুষ আবার এর বিরোধীতাও করছে।

মঙ্গলবার প্রজাতন্ত্র দিবসে নানান উত্তেজক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দিল্লি। আইটিও, নাঙ্গলাই, সিংঙ্ঘু বর্ডার সহ একাধিক জায়গায় কৃষকেরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোটা ঘটনায় ২২টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লির ছটি জেলা মিলিয়ে এই এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভ যেভাবে উত্তাল হয়ে ওঠে, তাতে ১৫৩ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি জুড়ে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।