সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, হাওড়া: রাজ সিমরনকে সাধে বলেছিল ‘বড়ে বড়ে দেশো মে অ্যায়সি ছোটি ছোটি বাতে হোতি রেহতি হ্যায়’। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে বিশাল দেশ ভারতের এক ছোট্ট গ্রামে। ফলেছে ৫০০ গ্রাম ওজনের এক বিশাল পেঁয়াজ। দেশ জুড়ে পেঁয়াজের দাম কমার নাম নিচ্ছে না। সেখানে এক বিশাল পেঁয়াজ ফলিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন গ্রামেরই এক চাষী।

গ্রামীণ হাওড়ার এক আমতা-১ ব্লকের এক মেলার প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন কৃষিজ ফসল। পেঁয়াজের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে গৃহস্থের হেঁসেলে যখন উঠতে বসেছে পেঁয়াজের ব্যবহার,দেশজুড়ে মিডিয়া যখন উত্তাল ঠিক তখনই গ্রামীণ হাওড়ার এক মেলার প্রদর্শনীতে ৫০০ গ্রাম সাইজের একটি প্রকান্ড পেঁয়াজ প্রদর্শিত হল। আমতা-১ ব্লকের উদং গ্রামের শীতলাতলা প্রাঙ্গণে ৫ দিনব্যাপী বসেছে প্রগতি মেলার আসর।মেলার প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন কৃষিজ ফসল।

তারই মধ্যে রয়েছে ৫০০ গ্রাম ওজনের বিশাল ওই পেঁয়াজ। মূলত,উদং-তাজপুরের কৃষক ভাইয়েরা তাঁদের ফলানো বিভিন্ন ধরণের বিরাট আকৃতির ফসল জমা দেন এই মেলার প্রদর্শনীতে। মেলা কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে,উদং গ্রামের বাসিন্দা অনন্ত খাঁ এই পেঁয়াজ জমা দিয়েছেন। অনন্তবাবু পেশায় মূলত ব্যবসায়ী। উদং হাটে পাইকারী সবজি বিক্রেতা। এর পাশাপাশি শখে বিভিন্ন ফসলও ফলান। অনন্তবাবুর কথায়, ‘এই প্রথম নয়। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে আমি এই প্রদর্শনীতে বৃহৎ আকারের আখ ও কলাগাছ জমা দিচ্ছি। এই বছর পেঁয়াজ দিলাম।’ ৫০০ গ্রাম সাইজের পেঁয়াজ দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। মেলা কমিটির পক্ষ থেকে অনন্ত খাঁ’কে বিশেষভাবে পুরস্কৃতও করা হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর খুচরো বাজারে পেঁয়াজ ২০০ টাকা কেজি ৷ বেঙ্গালুরুতে পেঁয়াজের পাইকারি দামেও অগ্নিমূল্য ৷ সাড়ে ৫ হাজার-১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পাইকারি দাম।

পশ্চিমবঙ্গেও প্রায় ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ ৷ পাড়ার বাজারে পেঁয়াজ এখনও আকাশছোঁয়া। দাম ঘোরাফেরা করছে কেজিপ্রতি দেড়শো টাকার কাছাকাছি। আম জনতার চোখের জল মুছতে এবার রেশনে ভর্তুকির পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করল রাজ্য সরকার। আপাতত পরিবারপিছু এক কেজি করে মিলছে পেঁয়াজ। পরিকল্পনা ছিল শহরের ৯৩৫টি রেশন দোকান থেকেই ভর্তুকির পেঁয়াজ বিক্রি করার। কিন্তু বণ্টন সমস্যায় এদিন কিছু দোকানে পেঁয়াজ পৌছয়নি। মঙ্গলবার থেকে সব রেশন দোকানেই মিলছে ৫৯ টাকার পেঁয়াজ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।