মেরঠ (উত্তর প্রদেশ): কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি নীতির প্রতিবাদে বিরাট কৃষক বিক্ষোভ রাজধানী নয়াদিল্লি পৌঁছবেই। এমনই অনড় মনোভাব। সারা ভারত কৃষক সভা ও বি়ভিন্ন কৃষক সংগঠনের আহ্বানে চলা এই বিদ্রোহী কৃষক মিছিলের চাপে হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও দিল্লি সরকার চরম উতকণ্ঠায়।

ইতিমধ্যেই বার্তা দিয়েছে কৃষি মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ কথা মাথায় রেখে বিক্ষোভ বাতিল করুক কৃষকরা। সরকার আগামী ৩ ডিসেম্বর বৈঠকে বসছে। দিল্লির করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক। এই কারণে চিন্তিত মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

পাঞ্জাব থেকে হরিয়ানা হয়ে দিল্লি প্রবেশের রাস্তায় ব্যারিকেড ঘিরেও উত্তেজনা চরমে। অন্যদিকে হাজার হাজার কৃষকের মিছিলের চাপে পিছু হটে হরিয়ানা সরকার। আন্তঃরাজ্য পাঞ্জাব সীমানা খুলে দেওয়া হয়। উত্তর প্রদেশ সীমানায় বিরাট পুলিশি ব্যারিকেড করলেও সেই বাধা ভেঙে যায়।

প্রবল বিক্ষোভ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশ সরকারও চাপে পড়ে পিছু হটেছে। শুক্রবার রাতে মেরঠে থাকছেন বিক্ষোভকারীরা। সেখান থেকেই তাঁদের হুমকি, সরকার নতুন কৃষি নীতি বাতিল না করা পর্যন্ত ঘেরাও করা হবে রাজধানী। একমাসের খাবার নিয়ে এসেছি আমরা। সরকার সমঝে চলুক।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে বামপন্থী কৃষক সংগঠন সারা ভারত কৃষকসভা (এআইকেএস) ও অন্যান্য সংগঠন। বিরোধী দল কংগ্রেস সহ অন্যান্যরা সরকারের সমালোচনায় সরব। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, মেরঠ থেকে দিল্লি যাওয়ার জন্য তৈরি হাজার হাজার কৃষকের ক্ষোভ দ্রুত উত্তর প্রদেশের অন্যত্র ছড়াচ্ছে।

শনিবার মেরঠ থেকে মুজফ্ফরনগর হয়ে দিল্লির দিকে ফের মিছিল শুরু হবে। নতুন কৃষি নীতি বিতর্কিত বলেই বিরোধীদের দাবি। কংগ্রেস ও বিভিন্ন দলের অভিযোগ, এর ফলে দেশের কৃষিক্ষেত্রে চরম বেসরকারিকরণ হবে। যদিও এনডিএ সরকার ও বিজেপির দাবি, কোনও অবস্থায় কৃষকদের পরিপন্থী নয় এই নীতি।

তবে এই নীতির প্রতিবাদ দেখিয়ে এনডিএ ত্যাগ করেছে জোটের সবথেকে পুরনো শরিক শিরোমনি আকালি দল। একগুচ্ছ সংস্কার করা হয়েছে কৃষি আইনে। এতে বলা হয়েছে, কৃষক এবং কৃষিজাত পন্য নিবন্ধিত কৃষিমান্ডির বাইরে কেনা বেচার স্বাধীনতা পাবে। বিরোধীদের অভিযোগ এর ফলে রাজস্ব সংগ্রহে বড় ক্ষতি হবে।

কারণ, কৃষকরা নিবন্ধিত মান্ডিগুলির বাইরে তাদের পণ্য বিক্রি শুরু করলে রাজ্য কোনও মান্ডি ফি পাবেনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।