পাটনা : সুশান্ত সিং রাজপুত মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী। কিন্তু কেন এই মানসিক অবসাদ ? পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে একাধিক তথ্য। কেন এভাবে ৩৪ বছরের একজন সফল অভিনেতাকে চলে যেতে হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই। তদন্ত করছে পুলিশ। অনেকেই দায়ী করেছেন বলিউডকে। অনেক বলি তারকাই আঙুল তুলেছেন নেপোটিজমের দিকে।

কেউ বলেছেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ছেলে নয় বলে অনেক কঠিন পথ পেরোতে হয়েছে সুশান্তকে। এবার সেই রেশ ধরেই পতে নামলেন সুশান্তের ভক্তরা। মঙ্গলবার রীতিমতো আগুন জ্বলল বিহারের পাটনায়। যে শহরের ছেলে সুশান্ত, সেই শহর জ্বলে উঠল প্রিয় তারকার আকস্মিক মৃত্যুতে। দুদিন আগে মৃত্যু, কিন্তু কেউ এখনও মেনে নিতে পারছেন না সুশান্তের এভাবে চলে যাওয়া।

মঙ্গলবার পাটনায় ক্রুদ্ধ ভক্তরা রাস্তায় নেমে আগুন জ্বালালেন। জ্বালানো হল কুশপুতুল। বলিউডের প্রতীকী এই কুশপুতুল জ্বালিয়ে প্রতিবাদ দেখান সুশান্তের ভক্তরা। দীর্ঘক্ষণের এই প্রতিবাদে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পাটনা শহর। সোমবার মুম্বই পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৩৪ বছর বয়েসী এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গলায় দড়ি দেওয়ার ফলে অ্যাসফিকসিয়া (asphyxia) ঘটায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত তিন মাস ধরে বাড়িতেই নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলেন সুশান্ত। এদিন সুশান্তকে খুনের তত্ব উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। প্রভিশনাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বান্দা পুলিশ স্টেশনে এদিন জমা দেন চিকিৎসকরা। তিন জন চিকিৎসকের একটি টিম সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করে বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট বলছে অ্যাসফিকসিয়া (asphyxia)-র ফলেই সুশান্তের মৃত্যু হয়েছে। যা মূলত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার ফলেই হয়ে থাকে। সুশান্তের আত্নহত্যার পিছনে বলিউডের নেপোটিজম এর বড় ভূমিকা রয়েছে, এমন অভিযোগ উঠছে।

এই জল্পনাকে উসকে দিয়ে রাজনৈতিক নেতা সঞ্জয় নিরূপম একটী ট্যুইটে দাবি করেছেন, পরপর ৭টি ছবিতে সাইন করেছিলেন সুশান্ত।

আর ৬ মাসে একের পর এক সেই সাতটি ছবি হাতছাড়া হয়েছে অভিনেতার। তিনি লিখেছেন ছিছোঁড়ে ছবির সাফল্যের পরই ওই ছবিগুলিতে সই করেন সুশান্ত। কিন্তু সেগুলো পরপর হাতছাড়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ ছিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নিষ্ঠুরতা অন্যমাত্রায় কাজ করে। আর সেই নিষ্ঠুরতার জন্যই প্রতিভাবান শিল্পীদের মরে যেতে হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I