হাওড়া: অবশেষে বাবলা সাঁতরার কফিন বন্দি দেহ এল হাওড়ার বাড়িতে৷ শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় ছিল শোকস্তব্ধ৷ তবুও তার মাঝে শহিদের বাড়ির কাছের একটি মাঠে শুরু হয় প্রস্তুতি। এই মাঠেই এক সময় দাপিয়ে ভলিবল খেলেছেন বাবলা৷ অবসরের পর এখানে ভলিবল প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।

সেই মাঠেই তৈরি করা হয় কফিন রাখার জন্য একটি অস্থায়ী বেদী। শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ বাউড়িয়ার সেই মাঠে এসে পৌঁছোয় শহিদ বাবলা সাঁতরার কফিন বন্দি দেহ। সেখানে তাঁকে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সিআরপিএফের আধিকারিকরা। এছাড়াও মন্ত্রী অরূপ রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিধায়ক ও আধিকারিকরা মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তাঁকে। পরিবারের মা, স্ত্রী ও মেয়ে সহ প্রতিবেশীরাও শ্রদ্ধা জানান শহিদ বাবলা সাঁতরাকে।

এদিন সন্ধ্যে নাগাদ বাউড়িয়ার চককাশীতে কফিন বন্দি দেহ নিয়ে আসেন তাঁর সহকর্মীরা। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষা করছিলেন অগণিত মানুষ। এরপর কফিন বন্দি দেহ সেখানে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার সহ প্রতিবেশীরা৷

মোবাইলে আলো জ্বালিয়ে সকলে শ্রদ্ধা জানান তাঁকে। প্রথমে তাঁকে তাঁর মা, স্ত্রী ও মেয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানায়। তারপর একে একে মন্ত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ফুল এবং মালা দিয়ে অন্তিম শ্রদ্ধা জানান। গান স্যালুট দেওয়া হয় সেনাবাহিনীর তরফ থেকে। এদিন রাতেই স্থানীয় শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য হবে বলে জানা গিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলওয়ারায় এক জঙ্গি হানায় প্রাণ হারান তিনি। শুক্রবার সকালে তার পরিবারকে জানানো হয় সেই খবর। এর পর থেকেই স্ত্রী, কন্যা সহ পরিবারের সকলকেই অপেক্ষা করছিলেন তাঁকে শেষবারের মতো দেখার জন্য।