পুনে : নিষেধাজ্ঞা না মেনে বিপত্তি। কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছিল শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। সেই নিয়ম উপেক্ষা করে বড় জমায়েত করা হল। ফল, নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ৯ জন ব্যক্তি।

মহারাষ্ট্রের উলহাসনগরের ঘটনা। ইতিমধ্যেই পুলিশ ওই পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ওই পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামাজিক নিয়ম না মেনেই তাঁরা শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করেছিলেন। তাও আবার এক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির। সেখানে যোগ দিয়েছিলেন ৭০ জন।এঁদের মধ্যে ৯জন করোনা আক্রান্ত বলে খবর মিলেছে।

উল্লেখ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ওই পরিবারের পক্ষ থেকে সব রকম নিয়ম মেনে শেষকৃত্য করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা পালন করা হয়নি। জানা যায় ওই পরিবারের সব আত্মীয়দেরই শেষকৃত্যে সামিল করে। এরপরেই ছড়িয়ে পড়ে করোনা। মৃত ব্যক্তির দুই ছেলে ও ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এইভাবে খোলা জায়গায় জমায়েত করে শেষকৃত্য করা হচ্ছে জানতে পেরে পুলিশকে জানান উলহাসনগর পুরসভার কমিশনার ডঃ সুধাকর দেশমুখ। ৫৯ বছরের ওই মৃত ব্যক্তি উলহাসনগর সেন্ট্রাল হসপিটালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই করোনার লক্ষ্মণ ধরা পড়ে। পরে তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। তবে রেজাল্ট আসার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। রেজাল্ট না আসায় তাঁকে করোনার রোগী বলে মানতে চায়নি পরিবার।

হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে শেষকৃত্যের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে লকডাউন প্রোটোকল মানেনি পরিবার বলে অভিযোগ। কোভিড প্রোটোকল অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের দেহ প্লাস্টিকে মুড়ে রাখতে হবে। তবে সেই পরিবার তা করেনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর শেষকৃত্যের সাধারণ সব নিয়মই পালন করে তাঁরা। পরে ওই ব্যক্তির রিপোর্ট আসলে দেখা যায়, তিনি করোনা পজেটিভ ছিলেন। ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি।

শেষকৃত্যে যোগ দেওয়া ৭০ জনের মধ্যে ৯জনের শরীরে করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে। বাকি ৬১জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব পুণ্য শালিলা শ্রীবাস্তব জানিয়ে ছিলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জমায়েত করা যেতে পারে। তবে তা প্রযোজ্য শুধু বিয়ে বা শেষকৃত্যের ক্ষেত্রে। বিয়ের ক্ষেত্রে আমন্ত্রিতের সংখ্যা হবে ৫০। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি জমায়েত করতে পারবেন না।

১৫ই মার্চ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে ছিল, শেষকৃত্যের জমায়েত করা যাবে না। কারণ এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর ও অনেক বেশি সংখ্যায় সংক্রামিত হওয়ার ভয় থাকে। করোনায় মৃতের ক্ষেত্রে সর্ব্বোচ্চ পাঁচজনকে শেষকৃত্যে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I