স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: বাগান থেকে বাঁশ কেটে নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে৷ এই ঘটনায় তিন মহিলা সহ দুই পুরুষ গুরুতর আহত হন৷ ঘটনাটি ঘটেছে মোথাবাড়ি থানা এলাকার উত্তর লক্ষ্মীপুর ভগৎ টোলা গ্রামে৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত উমাকান্ত দাস ও যামিনী দাস সম্পর্কে কাকা-ভাইপো৷ শুক্রবার বাড়ির প্রয়োজনে যামিনী দাস বাঁশবাগান থেকে বাঁশ কাটতে যান৷ অভিযোগ, তখনই তাঁকে বাঁশ কাটতে বাঁধা দেন উমাকান্ত দাস ও তাঁর পরিবার৷

আরও পড়ুন: সেনা কুচকাওয়াজে বড়সড় হামলা

তবে প্রথমে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে সামান্য বচসা হলেও পরে তা থেমে যায়৷ কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যের সময় উমাকান্ত দাস দলবল নিয়ে যামিনী দাসের বাড়িতে চড়াও হয়৷ এদিকে পাল্টা যামিনী দাস লাঠি ও হাঁসুয়া নিয়ে উমাকান্ত দাসের মাথায় কোপ মারে৷ এরপরই দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি বেঁধে যায়৷

আরও পড়ুন: রামমন্দির নিয়ে কি ফের আন্দোলন! বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বৈঠক ঘিরে জল্পনা

ঘটনায় গ্রামবাসীদের তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার করে মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷ এই ঘটনায় মোট পাঁচ জন গুরুতর ভাবে আহত হন৷ তিনজন মহিলাকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হলেও দু’জন পুরুষকে মোথাবাড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই দুই ব্যক্তি৷ ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ৷

আরও পড়ুন: শাস্ত্রীর মন্তব্যকে পাত্তা দিচ্ছেন না দ্রাবিড়

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।