ফাইল ছবি

দাতিয়া: একটি হত্যার তদন্তে নেমে হত্যার কারণ খুঁজতে গিয়ে হতচকিত হয়ে গেলেন পুলিশ আধিকারিকেরা। এক যুবককে হত্যার অভিযোগে মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া জেলার পরিবারের চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কিন্তু নিজের সন্তানকেই খুন করলেন কেন পরিবারের সদস্যরা? উত্তর খুঁজতে গিয়েই বেরিয়ে আসে সত্যিটা আর তা দেখে কার্যত স্তম্ভিত পুলিশ অফিসারেরা।

পরিবার সূত্রে খবর প্রায় প্রতিদিন মদ্যপ অবস্থায় এসে মা, বোন, বৌদিদের উপর অত্যাচার চালাত ওই যুবক। প্রায়শই তাঁদেরকে ধর্ষণ করতেন বলেও তদন্তকারীদের জানান ওই পরিবারের সদস্যরা। একাধিকবার পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণ করায় ওই যুবকের উপর ক্ষোভ জমছিল।

গত ১১ নভেম্বর মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে নিজের বৌদিকে যৌন হেনস্থা করে ওই যুবক। যৌন হেনস্থায় বাঁধা দিলে নিজের দাদাকেও মারধর করে ওই যুবক। এর আগেও ওই যুবক নিজের বৌদিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে ওই যুবক। শুধু বৌদিই নয় মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে তাঁর নিজের মা, বোনকেও একাধিকবার ধর্ষণ করেছে ওই যুবক।
বারবার ধর্ষিত হয়েই ওই যুবককে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় ওই পরিবারের। যুবককে খুন করার পরিকল্পনা মাফিকই ওই দিন রাতেই যুবককে খুন করার ছক কষে তাঁরা।

সেই রাতেই ওই যুবক বৌদিকে আবার ধর্ষণ করতে উদ্যত হলে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেয় তাঁর দাদা। এরপরেই যুবকের উপর এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে পরিবারের বাকি সদস্যরা। শেষে ওই যুবকের গলা চেপে ধরে তাঁর দাদা। দমবন্ধ হয়েই মৃত্যু হয় ওই যুবকের।

মৃত্যুর পরেই দেহ লোপাটের চেষ্টা করতে গিয়েই পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যান তাঁরা। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘৃণ্য ঘটনায় হতবাক ওই এলাকার বাসিন্দারা।