কলকাতা: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায়। বেশ কয়েক জায়গায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগও উঠেছে। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, বেশ কয়েকটি ট্রেন। সাময়িক ভাবে হলেও কিছুটা বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতির মুখোমুখি বাংলা।

এবার সেই বিক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি দিচ্ছে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া কিছু ফেক ছবি। যা পরোক্ষ ভাবে অথবা সরাসরি অশান্তিকেই উসকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফেসবুক, টুইটার সহ বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে সেই ছবি। যা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নষ্ট করছে বলে দাবি করেছেন অনেকে। যদিও ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পুলিশের তরফেও ভুল ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়ানোর আগে বিশেষ সতর্ক থাকার জন্যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এরপরেও ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ফেক ছবিগুলি গুগুল-এর মাধ্যমে রিভার্স ইমেজ অপশনে গেলেই বেরিয়ে আসছে আসল তথ্য। দেখা যাচ্ছে, ছবিগুলি কখনকার বা কোথাকার। রিভার্স ইমেজ অপশনের মাধ্যমে দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি ফেক ছবি প্রায় বছর সাতেক আগেকার। যা এখনকার বিক্ষোভের ঘটনা বলে প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেই আবার এর বিরুদ্ধ মনোভাবও গড়ে উঠেছে। বেশ কিছু সাধু মনোভাবাপন্ন মানুষ এই ভাইরাল ফেক ছবিগুলির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। তাঁরা ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখিয়ে দিয়েছেন ছবিগুলি আসলে কখনকার।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন উস্কানি রুখতে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে সরকারের তরফে সমস্ত মোবাইল পরিষেবা সংস্থাকে ইন্টারনেট বন্ধ করার জন্যে সরকারের তরফে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নতুন করে যাতে স্পর্শকাতর এলাকাতে অশান্তি না ছড়ায় সেজন্যে ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিলের বিরোধিতা করলেও তা যেন রাজ্যের শান্তির বাতাবরণ নষ্ট না করে সে বিষয়ে নাগরিকদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও